একাদশে ভর্তির কোটা — কারা পায়, কত আসন
To read this in English, visit: Admission Quotas in Class XI — Who Gets Them and How Many
একাদশে ভর্তিতে আসনের বড় অংশই উন্মুক্ত মেধার জন্য — অর্থাৎ সেখানে কেবল এসএসসির ফল আর পছন্দক্রমই কাজ করে। অল্প একটি অংশ নির্দিষ্ট শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকে।
কোটা নিয়ে দুটি ভুল ধারণা বেশি চলে — এক, কোটায় আসন অনেক; দুই, কোটা থাকলে যোগ্যতা লাগে না। দুটোই ভুল, আর নিচে সংখ্যা দিয়েই সেটি স্পষ্ট হবে।
আসন কীভাবে ভাগ হয়
২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের নীতিমালায় (২৪ আগস্ট ২০২৬) ভাগটি নিচের মতো। আগের বছরের সঙ্গে পার্থক্য একটাই — শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও তার অধীন দপ্তরের আলাদা ১% + ১% মিলে এখন একক ২% কোটা, আর সেটি প্রযোজ্য কেবল মহানগর এলাকার কলেজে।
| ভাগ | আসনের অংশ (২০২৬-২৭) | গত বছর |
|---|---|---|
| উন্মুক্ত মেধা — সবার জন্য | ৯৩% | ৯৩% |
| মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও নাতি-নাতনি | ৫% | ৫% |
| শিক্ষা মন্ত্রণালয় কোটা (কেবল মহানগর) | ২% | ১% + ১% (মন্ত্রণালয় ও অধীন দপ্তর আলাদা) |
লক্ষ করো, ৯৩% আসনই উন্মুক্ত। কোটা নিয়ে যত আলোচনা হয়, বাস্তবে তার অংশ সামান্যই — আর মহানগরের বাইরের কলেজে মন্ত্রণালয় কোটাই নেই।
কোটার সাথে যোগ্যতাও লাগে
কোটা মানে আলাদা একটি প্রতিযোগিতা, ছাড় নয়। কলেজের ন্যূনতম জিপিএ পূরণ করতেই হবে, আর কোটার ভেতরেও আবেদনকারীদের মধ্যে মেধার ভিত্তিতেই বাছাই হয়।
কোটা দাবি করলে প্রমাণপত্র লাগে, আর সেটি যাচাই হয় কলেজে ভর্তির সময়। কাগজ ঠিক না থাকলে কোটার সুবিধা বাতিল হয়ে যায়।
কোটার আসন খালি থাকলে
সংরক্ষিত আসনে যোগ্য আবেদনকারী না থাকলে সেগুলো ফেলে রাখা হয় না — ২০২৬-২৭-এর নীতিমালা স্পষ্ট বলেছে, অপূরণ কোটার আসন মেধায় ফিরে যায়। অর্থাৎ কোটার কারণে আসন নষ্ট হয় না।
উল্টো দিকটাও মনে রাখো: সনদ ছাড়া কোটা দাবি করলে ফল আটকে যেতে পারে। এবার ১ম ধাপে ভুল কোটা দাবির কারণে যাদের ফল আটকে ছিল, তাদের জন্য ২য় ধাপে আবার আবেদনের সুযোগ রাখা হয়েছে — কিন্তু সেটি সময় হারানোর পর পাওয়া সুযোগ।
২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি নীতিমালা প্রকাশিত হয়েছে ২৪ আগস্ট ২০২৬, তবু বোর্ড পরবর্তী বিজ্ঞপ্তিতে তারিখ বা সংখ্যা বদলাতে পারে। আবেদনের আগে xiclassadmission.gov.bd-এ প্রকাশিত সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তি মিলিয়ে নাও। এই পাতার তথ্য সর্বশেষ যাচাই করা হয়েছে ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
সাধারণ জিজ্ঞাসা
আলাদা আবেদন নয় — একই আবেদনের ভেতরেই কোটার তথ্য দিতে হয়। প্রমাণপত্র লাগে পরে, কলেজে ভর্তির সময়।
সাধারণত মুক্তিযোদ্ধার সনদ এবং তার সাথে আবেদনকারীর সম্পর্ক প্রমাণকারী কাগজপত্র। সঠিক তালিকা প্রতিটি শিক্ষাবর্ষের নীতিমালায় দেওয়া থাকে।
না। কলেজের ন্যূনতম জিপিএ সবার জন্যই প্রযোজ্য। কোটা কেবল সংরক্ষিত আসনের জন্য আলাদা প্রতিযোগিতায় বসার সুযোগ দেয়।
২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে সংরক্ষিত মোট ৭% — মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৫% আর শিক্ষা মন্ত্রণালয় কোটা ২% (কেবল মহানগর এলাকায়)। বাকি ৯৩% উন্মুক্ত মেধায়। গত বছর মন্ত্রণালয়ের ভাগটি ছিল ১% + ১%।
আমাদের সাথে যুক্ত থাকো
পড়াশোনার আপডেট, সাজেশন ও প্রশ্নোত্তর সবার আগে পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ ও গ্রুপে যুক্ত হও।






















