বৃত্তের বিন্দু P টেনে ঘোরাও, অথবা লেখের উপর টেনে কোণ বাছো
নিয়ন্ত্রণ
কোণের একক
পরিমাপ
- কোণ, θ
- ৩০.০°
- রেডিয়ানে θ
- π/৬
- sin θ (লম্ব)
- ০.৫০০০
- cos θ (ভূমি)
- ০.৮৬৬০
- tan θ
- ০.৫৭৭৪
- চতুর্ভাগ
- প্রথম চতুর্ভাগ
- সূক্ষ্ম সংশ্লিষ্ট কোণ
- ৩০.০°
- sin²θ + cos²θ
- ১.০০০০
- সঠিক মান (sin, cos)
- ১/২, √৩/২
সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে
- বৃত্তের উপর বেগুনি বিন্দু P ধরে টেনে ঘোরাও; সবুজ রেখা cos θ, লাল রেখা sin θ, হলুদ রেখা tan θ।
- ডান পাশের লেখচিত্রের উপর আঙুল বা মাউস টানলেও কোণ বদলায়: বাম থেকে ডানে ০° থেকে ৩৬০°।
- “আদর্শ কোণে আটকাও” চালু করো, তারপর ৩০°, ৪৫°, ৬০° কোণে থেমে “সঠিক মান” ঘরে √৩/২, ১/√২ দেখো।
- ▶ চাপলে P সমান গতিতে ঘোরে আর লেখচিত্রে sin ও cos-এর ঢেউ আঁকা হতে থাকে; গতি ০.২৫× করে ধীরে দেখো।
- কোণের একক “রেডিয়ান” করলে লেখচিত্রের অক্ষে π/২, π, ৩π/২, ২π দেখাবে।
- পরিমাপ প্যানেলে sin²θ + cos²θ ঘরটা খেয়াল করো: যেকোনো কোণে মান ১ থাকে, এটাই মূল অভেদ।
নাগরদোলা, ছায়া আর গাছের উচ্চতা: ত্রিকোণমিতি কোথায়
মেলায় নাগরদোলায় চড়েছ? তুমি একটা বৃত্তে ঘুরছ, আর প্রতি মুহূর্তে তোমার উচ্চতা বদলাচ্ছে: নিচ থেকে উপরে, আবার নিচে। তুমি মাঝখান থেকে কতটা উপরে আছ, সেটাই ত্রিকোণমিতির sin, আর মাঝখান থেকে কতটা ডানে-বামে আছ, সেটাই cos। এই পাতার সিমুলেশন ঠিক এই নাগরদোলাটাই, শুধু ব্যাসার্ধ ১।
আরেকটা উদাহরণ: বিকেলে একটা খুঁটির ছায়া মাপলে আর সূর্য কত উঁচুতে আছে সেই কোণটা জানলে, খুঁটিতে না উঠেই তার উচ্চতা বলে দেওয়া যায়। প্রাচীন মিশরের মানুষ এভাবেই পিরামিডের উচ্চতা মেপেছিল। মাপার ফিতা যেখানে পৌঁছায় না, সেখানে ত্রিকোণমিতি পৌঁছায়।
ত্রিকোণমিতি শব্দটা এসেছে তিন (ত্রি) + কোণ + মিতি (মাপ) থেকে, মানে ত্রিভুজের মাপ। কিন্তু একটু এগোলেই দেখবে এটা শুধু ত্রিভুজের বিষয় না; ঘুরতে থাকা চাকা, ঢেউ, শব্দ, বিদ্যুৎ, সবকিছুর ভাষা এই sin আর cos।
সমকোণী ত্রিভুজে ত্রিকোণমিতিক অনুপাত
একটা সমকোণী ত্রিভুজ নাও। সমকোণ বাদে একটা সূক্ষ্মকোণ θ বেছে নাও। এবার θ-এর সাপেক্ষে বাহুগুলোর নাম দাও: θ-এর বিপরীত বাহু হলো লম্ব, θ-এর পাশের বাহু (যেটা অতিভুজ না) হলো ভূমি, আর সমকোণের বিপরীত সবচেয়ে বড় বাহু হলো অতিভুজ।
খেয়াল করো, লম্ব আর ভূমি নাম দুটো কোণের উপর নির্ভর করে। একই ত্রিভুজে অন্য সূক্ষ্মকোণটা ধরলে লম্ব আর ভূমি অদলবদল হয়ে যায়, কিন্তু অতিভুজ সবসময় একই থাকে। পরীক্ষায় অনেকে এখানেই ভুল করে।
এই তিন বাহু থেকে দুটো দুটো নিয়ে ছয়টা অনুপাত বানানো যায়। এদের নাম sine, cosine, tangent এবং এদের উল্টো cosecant, secant, cotangent। মজার কথা: ত্রিভুজ বড় হোক বা ছোট, কোণ একই থাকলে অনুপাতের মান একই থাকে, কারণ সদৃশ ত্রিভুজের বাহুগুলো একই অনুপাতে বাড়ে-কমে। এজন্যই অনুপাত শুধু কোণের উপর নির্ভর করে।
sin θ = লম্ব / অতিভুজসাইন
cos θ = ভূমি / অতিভুজকোসাইন
tan θ = লম্ব / ভূমি = sin θ / cos θট্যানজেন্ট
ত্রিভুজ থেকে একক বৃত্তে: কেন (cos θ, sin θ)
এবার একটা চালাকি করি। মূলবিন্দু O-কে কেন্দ্র করে ব্যাসার্ধ ১ একক নিয়ে একটা বৃত্ত আঁকো, একে বলে একক বৃত্ত। ধনাত্মক x-অক্ষ থেকে ঘড়ির কাঁটার উল্টো দিকে θ কোণ ঘুরে বৃত্তের উপর একটা বিন্দু P নাও।
P থেকে x-অক্ষে একটা লম্ব টানো। একটা সমকোণী ত্রিভুজ তৈরি হলো যার অতিভুজ OP = ১। তাহলে sin θ = লম্ব/১ = P-এর উচ্চতা, আর cos θ = ভূমি/১ = P-এর আনুভূমিক দূরত্ব। অর্থাৎ P-এর স্থানাঙ্ক ঠিক (cos θ, sin θ)। অতিভুজ ১ হলে ভাগ করার ঝামেলাই থাকে না।
এর সবচেয়ে বড় লাভ হলো, এখন θ আর সূক্ষ্মকোণ হতে বাধ্য না। P ঘুরে দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ চতুর্ভাগে চলে গেলেও তার স্থানাঙ্ক আছে, তাই ১২০°, ২১০°, এমনকি ৩৩০°-এরও sin আর cos আছে। শুধু স্থানাঙ্ক ঋণাত্মক হলে অনুপাতও ঋণাত্মক হবে।
সিমুলেশন শুরু হয় θ = ৩০° থেকে। তখন P-এর উচ্চতা ০.৫০, মানে sin ৩০° = ০.৫০, আর আনুভূমিক দূরত্ব cos ৩০° ≈ ০.৮৬৬। তাদের অনুপাত tan ৩০° ≈ ০.৫৭৭। পরিমাপ প্যানেল খুলে মিলিয়ে নাও।
tan θ-এরও একটা সুন্দর ছবি আছে। x = ১ বিন্দুতে বৃত্তকে ছুঁয়ে যাওয়া খাড়া রেখাটা (স্পর্শক) কল্পনা করো। OP রেখাটা বাড়িয়ে দিলে যেখানে স্পর্শককে কাটে, x-অক্ষ থেকে সেই বিন্দুর উচ্চতাই tan θ। এজন্যই এর নাম ট্যানজেন্ট, মানে স্পর্শক। ৯০°-এর কাছে গেলে OP প্রায় খাড়া হয়ে যায়, স্পর্শককে আর কাটেই না, তাই tan ৯০° অসংজ্ঞায়িত।
আদর্শ কোণের ত্রিকোণমিতিক অনুপাতের মান (টেবিল)
০°, ৩০°, ৪৫°, ৬০°, ৯০°: এই পাঁচটা কোণকে আদর্শ কোণ বলে, আর পরীক্ষার বেশিরভাগ অঙ্ক এদের নিয়েই। নিচের টেবিলের প্রতিটি মান কোডে হিসাব করা, আর প্রথমে সঠিক রূপ (করণী), তারপর দশমিক মান দেওয়া আছে।
৩০° আর ৬০°-এর মান আসে একটা সমবাহু ত্রিভুজ থেকে। বাহু ২ একক ধরে মাঝখান দিয়ে কাটলে দুটো ৩০°-৬০°-৯০° ত্রিভুজ পাই যার বাহু ১, √৩, ২। তাই sin ৩০° = ১/২ আর sin ৬০° = √৩/২। ৪৫°-এর মান আসে সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজ থেকে, যার বাহু ১, ১, √২; তাই sin ৪৫° = cos ৪৫° = ১/√২।
| কোণ θ | রেডিয়ান | sin θ | cos θ | tan θ |
|---|---|---|---|---|
| ০° | ০ | ০ ≈ ০.০০০ | ১ ≈ ১.০০০ | ০ ≈ ০.০০০ |
| ৩০° | π/৬ | ১/২ ≈ ০.৫০০ | √৩/২ ≈ ০.৮৬৬ | ১/√৩ ≈ ০.৫৭৭ |
| ৪৫° | π/৪ | ১/√২ ≈ ০.৭০৭ | ১/√২ ≈ ০.৭০৭ | ১ ≈ ১.০০০ |
| ৬০° | π/৩ | √৩/২ ≈ ০.৮৬৬ | ১/২ ≈ ০.৫০০ | √৩ ≈ ১.৭৩২ |
| ৯০° | π/২ | ১ ≈ ১.০০০ | ০ ≈ ০.০০০ | অসংজ্ঞায়িত |
চারটি চতুর্ভাগ আর চিহ্নের নিয়ম (সব-সিন-ট্যান-কস)
x আর y অক্ষ তলটাকে চার ভাগ করে। প্রথম চতুর্ভাগে (০° থেকে ৯০°) x আর y দুটোই ধনাত্মক, তাই সব অনুপাত ধনাত্মক। দ্বিতীয়তে (৯০° থেকে ১৮০°) x ঋণাত্মক কিন্তু y ধনাত্মক, তাই শুধু sin (আর তার উল্টো cosec) ধনাত্মক। তৃতীয়তে (১৮০° থেকে ২৭০°) দুটোই ঋণাত্মক, তাই তাদের ভাগফল tan ধনাত্মক। চতুর্থে (২৭০° থেকে ৩৬০°) শুধু x ধনাত্মক, তাই cos ধনাত্মক।
মনে রাখার ছড়া: সব → সিন → ট্যান → কস, ইংরেজিতে ASTC (All Students Take Calculus)। সিমুলেশনে P যে চতুর্ভাগে থাকে সেটা আলোকিত হয়, আর সেখানে কোন অনুপাত ধনাত্মক তা লেখা থাকে।
যেকোনো কোণের মান বের করার তিন ধাপ: (১) কোণটা কোন চতুর্ভাগে তা দেখো, (২) সূক্ষ্ম সংশ্লিষ্ট কোণ বের করো, মানে x-অক্ষের সাথে কত ডিগ্রি, (৩) সেই সূক্ষ্মকোণের মান লিখে চতুর্ভাগ অনুযায়ী চিহ্ন বসাও। নিচের টেবিল এই নিয়মেই হিসাব করা।
| কোণ θ | চতুর্ভাগ | সংশ্লিষ্ট কোণ | sin θ | cos θ | tan θ |
|---|---|---|---|---|---|
| ১২০° | দ্বিতীয় চতুর্ভাগ | ৬০° | √৩/২ ≈ ০.৮৬৬ | −১/২ ≈ -০.৫০০ | −√৩ ≈ -১.৭৩২ |
| ১৩৫° | দ্বিতীয় চতুর্ভাগ | ৪৫° | ১/√২ ≈ ০.৭০৭ | −১/√২ ≈ -০.৭০৭ | −১ ≈ -১.০০০ |
| ১৫০° | দ্বিতীয় চতুর্ভাগ | ৩০° | ১/২ ≈ ০.৫০০ | −√৩/২ ≈ -০.৮৬৬ | −১/√৩ ≈ -০.৫৭৭ |
| ২১০° | তৃতীয় চতুর্ভাগ | ৩০° | −১/২ ≈ -০.৫০০ | −√৩/২ ≈ -০.৮৬৬ | ১/√৩ ≈ ০.৫৭৭ |
| ২৪০° | তৃতীয় চতুর্ভাগ | ৬০° | −√৩/২ ≈ -০.৮৬৬ | −১/২ ≈ -০.৫০০ | √৩ ≈ ১.৭৩২ |
| ৩০০° | চতুর্থ চতুর্ভাগ | ৬০° | −√৩/২ ≈ -০.৮৬৬ | ১/২ ≈ ০.৫০০ | −√৩ ≈ -১.৭৩২ |
| ৩৩০° | চতুর্থ চতুর্ভাগ | ৩০° | −১/২ ≈ -০.৫০০ | √৩/২ ≈ ০.৮৬৬ | −১/√৩ ≈ -০.৫৭৭ |
বিপরীত অনুপাত: cosec, sec, cot
প্রথম তিনটা অনুপাতকে উল্টে দিলে বাকি তিনটা পাই। cosec θ হলো sin θ-এর উল্টো, sec θ হলো cos θ-এর উল্টো, আর cot θ হলো tan θ-এর উল্টো। এদের ইংরেজি নামের প্রথম অক্ষর মিলিয়ে মনে রাখো: sin-এর জোড়া cosec (co আছে), cos-এর জোড়া sec (co নেই)। নামে co থাকা-না-থাকা উল্টো, এটাই কৌশল।
কোনো অনুপাতের মান শূন্য হলে তার উল্টোটা অসংজ্ঞায়িত, কারণ শূন্য দিয়ে ভাগ করা যায় না। যেমন sin ০° = ০, তাই cosec ০° অসংজ্ঞায়িত; cos ৯০° = ০, তাই sec ৯০° আর tan ৯০° অসংজ্ঞায়িত।
cosec θ = 1 / sin θ = অতিভুজ / লম্ব
sec θ = 1 / cos θ = অতিভুজ / ভূমি
cot θ = 1 / tan θ = cos θ / sin θ
ত্রিকোণমিতির মূল সূত্র ও অভেদ
একক বৃত্তে P-এর স্থানাঙ্ক (cos θ, sin θ) আর কেন্দ্র থেকে দূরত্ব ১। পিথাগোরাসের উপপাদ্য লাগালেই পাই cos²θ + sin²θ = ১। এটাই ত্রিকোণমিতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অভেদ, আর সিমুলেশনের পরিমাপ প্যানেলে যেকোনো কোণে এর মান ১ দেখায়।
এই সূত্রের দুই পাশকে cos²θ দিয়ে ভাগ করলে পাই ১ + tan²θ = sec²θ। আবার sin²θ দিয়ে ভাগ করলে পাই ১ + cot²θ = cosec²θ। তিনটা সূত্র আসলে একটাই সূত্র, শুধু ভিন্ন চেহারায়।
পূরক কোণের সূত্রগুলোও দরকারি। সমকোণী ত্রিভুজে দুটো সূক্ষ্মকোণের যোগফল ৯০°, আর একটার লম্ব অন্যটার ভূমি। তাই sin(৯০° − θ) = cos θ এবং cos(৯০° − θ) = sin θ। এজন্যই sin ৩০° = cos ৬০° = ১/২।
sin²θ + cos²θ = 1মূল অভেদ (পিথাগোরাস থেকে)
1 + tan²θ = sec²θ
1 + cot²θ = cosec²θ
sin(90° − θ) = cos θ, cos(90° − θ) = sin θপূরক কোণ
sin(180° − θ) = sin θ, cos(180° − θ) = −cos θসংযুক্ত কোণ
ডিগ্রি আর রেডিয়ান: কোণ মাপার দুই একক
ডিগ্রিতে পুরো ঘূর্ণন ৩৬০°। রেডিয়ান মাপে একটু অন্যভাবে: বৃত্তের ব্যাসার্ধের সমান দৈর্ঘ্যের একটা চাপ কেন্দ্রে যে কোণ তৈরি করে, সেটাই ১ রেডিয়ান। পুরো বৃত্তের পরিধি ২πr, তাই পুরো ঘূর্ণন = ২π রেডিয়ান।
অর্থাৎ π রেডিয়ান = ১৮০°। ডিগ্রি থেকে রেডিয়ান করতে π/১৮০ দিয়ে গুণ করো, রেডিয়ান থেকে ডিগ্রি করতে ১৮০/π দিয়ে গুণ করো। ১ রেডিয়ান ≈ ৫৭.৩০°, মানে প্রায় ৫৭ ডিগ্রি।
একক বৃত্তে রেডিয়ানের একটা সুন্দর মানে আছে: ব্যাসার্ধ ১ হলে P যতটুকু চাপ পার হয়, সেই চাপের দৈর্ঘ্যই কোণের রেডিয়ান মান। উচ্চ মাধ্যমিক আর ক্যালকুলাসে প্রায় সবসময় রেডিয়ান ব্যবহার করা হয়, তাই সিমুলেশনে একক বদলে অভ্যাস করে নাও।
π rad = 180°
রেডিয়ান = ডিগ্রি × π / 180
ডিগ্রি = রেডিয়ান × 180 / π
sin, cos আর tan-এর লেখচিত্র
P যখন ঘোরে, তার উচ্চতা (sin θ) ০ থেকে বেড়ে ১ হয়, আবার কমে ০, তারপর −১, আবার ০। এই ওঠানামাকে কোণের বিপরীতে আঁকলে একটা মসৃণ ঢেউ পাই, এটাই sin-এর লেখচিত্র। সিমুলেশনে লাল বিন্দু থেকে একটা ড্যাশ রেখা সোজা ডানে গিয়ে লেখচিত্রের বিন্দুতে পৌঁছায়, মানে বৃত্তের উচ্চতাই লেখচিত্রের উচ্চতা।
cos-এর লেখচিত্রও একই আকারের ঢেউ, শুধু ৯০° আগে থেকে শুরু: cos ০° = ১ থেকে নামতে থাকে। দুটো ঢেউয়েরই বিস্তার (amplitude) ১ আর পর্যায়কাল (period) ৩৬০° বা ২π; মানে প্রতি ৩৬০° পর পর একই নকশা আবার ফিরে আসে।
tan-এর লেখচিত্র একেবারে আলাদা। এটা −∞ থেকে +∞ পর্যন্ত ছুটে যায় আর ৯০° ও ২৭০°-এ ভেঙে যায়, কারণ সেখানে cos θ = ০। এর পর্যায়কাল মাত্র ১৮০°। “tan রেখা ও লেখ দেখাও” চালু করে হলুদ রেখাটা খেয়াল করো।
- sin θ: পরিসর −১ থেকে ১, পর্যায়কাল ৩৬০°, ০°-এ শূন্য থেকে শুরু
- cos θ: পরিসর −১ থেকে ১, পর্যায়কাল ৩৬০°, ০°-এ ১ থেকে শুরু
- tan θ: পরিসর সব বাস্তব সংখ্যা, পর্যায়কাল ১৮০°, ৯০° ও ২৭০°-এ অসংজ্ঞায়িত
সিমুলেশনে নিজে পরীক্ষা করো
পড়ার চেয়ে নিজে করে দেখলে বেশি মনে থাকে। এই পাঁচটা পরীক্ষা করো আর খাতায় ফল লেখো।
- P-কে ৪৫°-এ নাও: লাল আর সবুজ রেখা সমান লম্বা, কারণ sin ৪৫° = cos ৪৫°।
- P-কে ৩০° আর ১৫০°-এ নিয়ে লাল রেখার দৈর্ঘ্য মেলাও: দুটোই সমান, কারণ sin(১৮০° − θ) = sin θ।
- P-কে ৯০°-এর খুব কাছে নাও: tan-এর হলুদ রেখা আকাশ ছুঁতে চায় আর ঠিক ৯০°-এ “অসংজ্ঞায়িত” লেখা ওঠে।
- যেকোনো কোণে থামাও আর sin²θ + cos²θ ঘর দেখো: মান সবসময় ১।
- ▶ চাপো আর পুরো এক পাক ঘুরতে দাও: sin আর cos-এর দুটো ঢেউ একটা আরেকটার চেয়ে ৯০° পিছিয়ে চলে।
সমাধানসহ গাণিতিক উদাহরণ
নিচের প্রতিটি উত্তর কোডে হিসাব করা। আগে নিজে চেষ্টা করো, তারপর মেলাও।
উদাহরণ ১: মিনারের উচ্চতা
একটা মিনারের পাদদেশ থেকে ২০ m দূরে দাঁড়িয়ে তুমি দেখলে মিনারের চূড়ার উন্নতি কোণ ৬০°। মিনারের উচ্চতা কত?
এখানে ভূমি = ২০ m, লম্ব = h, কোণ ৬০°। লম্ব আর ভূমি জড়িত, তাই tan নাও: tan ৬০° = h/২০। tan ৬০° ≈ ১.৭৩২, তাই h = ২০ × ১.৭৩২ ≈ ৩৪.৬৪ m।
উদাহরণ ২: ঘুড়ির উচ্চতা
একটা ঘুড়ির সুতার দৈর্ঘ্য ৫০ m আর সুতা ভূমির সাথে ৩০° কোণ করে আছে। ঘুড়ি কত উঁচুতে?
সুতা হলো অতিভুজ, উচ্চতা হলো লম্ব। তাই sin ৩০° = h/৫০, অর্থাৎ h = ৫০ × ১/২ = ২৫ m।
উদাহরণ ৩: একটা অনুপাত থেকে বাকিগুলো
sin θ = ৩/৫ হলে বাকি পাঁচটা অনুপাত বের করো (θ সূক্ষ্মকোণ)।
লম্ব ৩, অতিভুজ ৫। পিথাগোরাস থেকে ভূমি = √(৫² − ৩²) = ৪। তাহলে cos θ = ৪/৫ = ০.৮০, tan θ = ৩/৪ = ০.৭৫, cosec θ ≈ ১.৬৬৭, sec θ = ১.২৫, cot θ ≈ ১.৩৩৩।
উদাহরণ ৪: আদর্শ কোণের মান বসিয়ে মান নির্ণয়
sin²৩০° + cos²৬০° + tan²৪৫°-এর মান কত?
(১/২)² + (১/২)² + (১)² = ১/৪ + ১/৪ + ১ = ১.৫০।
উদাহরণ ৫: একটা চেনা অভেদ চিনে ফেলো
(১ − tan²৩০°)/(১ + tan²৩০°)-এর মান কত?
tan ৩০° = ১/√৩, তাই tan²৩০° = ১/৩। মান = (১ − ১/৩)/(১ + ১/৩) = (২/৩)/(৪/৩) = ০.৫০। খেয়াল করো, এটা cos ৬০°-এর সমান, কারণ (১ − tan²θ)/(১ + tan²θ) = cos ২θ।
উদাহরণ ৬: সংযুক্ত কোণ
sin ১৫০°, cos ২১০° আর tan ৩১৫° নির্ণয় করো।
১৫০° দ্বিতীয় চতুর্ভাগে, সংশ্লিষ্ট কোণ ৩০°, sin ধনাত্মক: sin ১৫০° = ০.৫০। ২১০° তৃতীয় চতুর্ভাগে, সংশ্লিষ্ট কোণ ৩০°, cos ঋণাত্মক: cos ২১০° ≈ -০.৮৬৬। ৩১৫° চতুর্থ চতুর্ভাগে, সংশ্লিষ্ট কোণ ৪৫°, tan ঋণাত্মক: tan ৩১৫° = -১.০০।
উদাহরণ ৭: ডিগ্রি আর রেডিয়ান
৭৫°-কে রেডিয়ানে আর ২ রেডিয়ানকে ডিগ্রিতে প্রকাশ করো।
৭৫° × π/১৮০ = ৫π/১২ ≈ ১.৩০৯ রেডিয়ান। আর ২ × ১৮০/π ≈ ১১৪.৫৯°।
উদাহরণ ৮: ছায়া থেকে সূর্যের উন্নতি কোণ
১০ m উঁচু একটা খুঁটির ছায়া ১৭.৩২ m (মানে ১০√৩ m)। সূর্যের উন্নতি কোণ কত?
tan θ = ১০/(১০√৩) = ১/√৩, তাই θ = ৩০°।
উদাহরণ ৯: চিহ্ন দেখে কোণ খোঁজা
cos θ = −১/২ এবং θ দ্বিতীয় চতুর্ভাগে হলে θ, sin θ আর tan θ কত?
cos ৬০° = ১/২, তাই সংশ্লিষ্ট কোণ ৬০°। দ্বিতীয় চতুর্ভাগে θ = ১৮০° − ৬০° = ১২০°। sin θ ধনাত্মক ≈ ০.৮৬৬, আর tan θ ঋণাত্মক ≈ -১.৭৩২।
উদাহরণ ১০: দেয়ালে হেলানো মই
৬ m লম্বা একটা মই দেয়ালে হেলান দিয়ে ভূমির সাথে ৬০° কোণ করে আছে। মই দেয়ালের কত উঁচুতে পৌঁছেছে আর মইয়ের গোড়া দেয়াল থেকে কত দূরে?
উচ্চতা = ৬ × sin ৬০° = ৬ × √৩/২ ≈ ৫.১৯৬ m। গোড়ার দূরত্ব = ৬ × cos ৬০° = ৩ m।
যে ভুলগুলো সবাই করে
এই ভুলগুলো এড়ালেই অনেক নম্বর বাঁচে।
- লম্ব আর ভূমি গুলিয়ে ফেলা: কোণ বদলালে এরা অদলবদল হয়, অতিভুজ কখনো বদলায় না।
- sin²θ আর sin θ² এক ভাবা: sin²θ মানে (sin θ)², কোণের বর্গ না।
- sin(A + B) = sin A + sin B লেখা: এটা ভুল, sin ৩০° + sin ৬০° ≠ sin ৯০°।
- ক্যালকুলেটর রেডিয়ান মোডে রেখে ডিগ্রির অঙ্ক করা: sin ৩০ চাপলে ০.৫ না এলে মোড দেখো।
- tan ৯০°-এর মান “অসীম” বা “১” লেখা: সঠিক উত্তর অসংজ্ঞায়িত।
- চতুর্ভাগ দেখে চিহ্ন বসাতে ভুলে যাওয়া: cos ১২০° ঋণাত্মক, ধনাত্মক না।
বাস্তব জীবনে ত্রিকোণমিতি
জরিপকারী আর প্রকৌশলীরা থিওডোলাইট যন্ত্রে কোণ মেপে নদীর প্রস্থ, পাহাড়ের উচ্চতা আর জমির সীমানা বের করেন। স্থপতি ছাদের ঢাল আর সিঁড়ির কোণ ঠিক করেন tan দিয়ে।
তোমার ফোনের GPS, গেমের ক্যারেক্টর ঘোরানো, ছবি রোটেট করা, এসব কোডের ভেতরে sin আর cos হিসাব হচ্ছে প্রতি সেকেন্ডে হাজার বার। বাড়ির বিদ্যুৎ (AC) আর শব্দতরঙ্গ দুটোই sin-এর ঢেউ মেনে চলে।
জাহাজ আর বিমানের দিক নির্ণয়, সূর্যের কোণ দেখে সোলার প্যানেল বসানো, এমনকি ক্রিকেটে বলের গতিপথ বিশ্লেষণেও ত্রিকোণমিতি লাগে।
পরীক্ষার প্রস্তুতি: SSC ও HSC
SSC গণিতে “ত্রিকোণমিতিক অনুপাত” আর “দূরত্ব ও উচ্চতা” অধ্যায় থেকে সৃজনশীল প্রশ্ন প্রায় নিশ্চিত থাকে। সাধারণত (ক) অংশে একটা অনুপাত থেকে অন্যটা বের করতে বলে, (খ) অংশে অভেদ প্রমাণ বা মান নির্ণয়, আর (গ) অংশে উন্নতি বা অবনতি কোণ দিয়ে উচ্চতা-দূরত্বের সমস্যা।
উচ্চতর গণিত আর HSC উচ্চতর গণিত ১ম পত্রে সংযুক্ত কোণ, চতুর্ভাগের চিহ্ন, রেডিয়ান আর লেখচিত্র বেশি আসে। বহুনির্বাচনিতে আদর্শ কোণের মান, পর্যায়কাল আর কোন চতুর্ভাগে কোন অনুপাত ধনাত্মক, এসব প্রশ্ন প্রায় প্রতিবছর থাকে।
প্রস্তুতির কৌশল: আদর্শ কোণের টেবিল মুখস্থ না করে প্রতিদিন একবার নিজে বানাও, তিনটা মূল অভেদ থেকে বাকিগুলো বের করা অভ্যাস করো, আর উচ্চতা-দূরত্বের প্রতিটা অঙ্কে আগে চিত্র আঁকো।
এক নজরে রিভিশন
পরীক্ষার আগের রাতে শুধু এই তালিকাটা দেখে নাও।
- sin = লম্ব/অতিভুজ, cos = ভূমি/অতিভুজ, tan = লম্ব/ভূমি
- একক বৃত্তে P = (cos θ, sin θ), tan θ = স্পর্শক রেখায় উচ্চতা
- sin²θ + cos²θ = ১, ১ + tan²θ = sec²θ, ১ + cot²θ = cosec²θ
- চিহ্ন: সব → সিন → ট্যান → কস (প্রথম থেকে চতুর্থ চতুর্ভাগ)
- π রেডিয়ান = ১৮০°, sin ও cos-এর পর্যায়কাল ৩৬০°, tan-এর ১৮০°
- tan ৯০°, sec ৯০°, cosec ০°, cot ০° অসংজ্ঞায়িত
সচরাচর জিজ্ঞাসা
ত্রিকোণমিতিক অনুপাত কাকে বলে?
সমকোণী ত্রিভুজের একটি সূক্ষ্মকোণের সাপেক্ষে যেকোনো দুই বাহুর অনুপাতকে ত্রিকোণমিতিক অনুপাত বলে। মোট ছয়টি: sin, cos, tan, cosec, sec, cot।
ত্রিকোণমিতিক অনুপাত কয়টি ও কী কী?
ছয়টি। sin θ = লম্ব/অতিভুজ, cos θ = ভূমি/অতিভুজ, tan θ = লম্ব/ভূমি, আর এদের উল্টো cosec θ, sec θ, cot θ।
sin ৩০°, cos ৬০° আর tan ৪৫°-এর মান কত?
sin ৩০° = ১/২, cos ৬০° = ১/২ আর tan ৪৫° = ১। sin ৪৫° ≈ ০.৭০৭ আর sin ৬০° ≈ ০.৮৬৬।
tan ৯০°-এর মান কত?
tan ৯০° অসংজ্ঞায়িত, কারণ tan θ = sin θ/cos θ আর cos ৯০° = ০। শূন্য দিয়ে ভাগ করা যায় না।
একক বৃত্ত কী আর এতে sin, cos কীভাবে দেখা যায়?
মূলবিন্দুকে কেন্দ্র করে ব্যাসার্ধ ১ এমন বৃত্তকে একক বৃত্ত বলে। কোণ θ-এর বিন্দুর স্থানাঙ্ক (cos θ, sin θ), তাই বিন্দুর আনুভূমিক দূরত্ব cos θ আর উচ্চতা sin θ।
কোন চতুর্ভাগে কোন অনুপাত ধনাত্মক?
প্রথমে সব, দ্বিতীয়তে sin ও cosec, তৃতীয়তে tan ও cot, চতুর্থে cos ও sec। মনে রাখো “সব সিন ট্যান কস”।
ত্রিকোণমিতিক অনুপাত মনে রাখার কৌশল কী?
sin-এর মানের জন্য ০, ১, ২, ৩, ৪-কে ৪ দিয়ে ভাগ করে বর্গমূল নাও; উল্টো ক্রমে cos। অনুপাতের সংজ্ঞার জন্য SOH-CAH-TOA মনে রাখো।
রেডিয়ান আর ডিগ্রির সম্পর্ক কী?
π রেডিয়ান = ১৮০°। তাই ১ রেডিয়ান ≈ ৫৭.৩০° আর ১° = π/১৮০ রেডিয়ান।
sin²θ + cos²θ = ১ কেন সত্য?
একক বৃত্তে বিন্দু (cos θ, sin θ) কেন্দ্র থেকে ১ একক দূরে। পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী cos²θ + sin²θ = ১², যেকোনো কোণের জন্য।
এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা
অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।
ভর্তি
চুয়েট ভর্তি ২০২৬-২৭
SSC
এসএসসি গণিত: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
SSC
এসএসসি উচ্চতর গণিত: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
HSC
এইচএসসি উচ্চতর গণিত: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
পাঠ্যবই
নবম-দশম শ্রেণির গণিত বই
পাঠ্যবই
নবম-দশম শ্রেণির উচ্চতর গণিত বই
ভর্তি
ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি
ভর্তি
জাবি গাণিতিক ও পদার্থবিষয়ক অনুষদ ভর্তি
English
Paragraph: Artificial Intelligence (ইংরেজিতে)
বাংলা
রচনা: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
SSC
এসএসসি সাজেশন
HSC
এইচএসসি সাজেশন
ভর্তি
বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার গাইড
SSC
এসএসসি সিলেবাস
HSC
এইচএসসি সিলেবাস
আরও গণিত অ্যানিমেশন
Class 8 · SSC
পিথাগোরাসের উপপাদ্য
পিথাগোরাসের উপপাদ্য কাকে বলে, সূত্র c² = a² + b², অষ্টম ও নবম-দশম শ্রেণির প্রমাণ, বিপরীত উপপাদ্য, পিথাগোরীয় ত্রয়ী ও সমাধানসহ অঙ্ক: ত্রিভুজ টেনে নিজে দেখো।
SSC · HSC
দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র
দ্বিঘাত সমীকরণ কাকে বলে, উৎপাদক ও বর্গপূর্ণকরণ পদ্ধতি, শ্রীধর আচার্যের সূত্র, নিশ্চায়ক দিয়ে মূলের প্রকৃতি, শীর্ষবিন্দু ও পরাবৃত্তের লেখচিত্র অ্যানিমেশনে।
SSC
বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য
বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য সহজে: কেন্দ্রস্থ ও বৃত্তস্থ কোণ, অর্ধবৃত্তস্থ কোণ, বৃত্তীয় চতুর্ভুজ, জ্যা ও স্পর্শক। SSC-র প্রমাণ আর সমাধানসহ অঙ্ক, বিন্দু টেনে নিজে দেখো।
SSC
দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ
উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ কাকে বলে, দূরত্ব ও উচ্চতার সূত্র কীভাবে কাজ করে, আর দুই দফা পর্যবেক্ষণে না মেপেই টাওয়ারের উচ্চতা বের করা যায় কীভাবে — ইন্টারঅ্যাকটিভ সিমুলেশন ও সমাধানসহ।
SSC
সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা
সম্ভাবনা কাকে বলে, নমুনা ক্ষেত্র ও সম্ভাবনার সূত্র P(E) = n(E)/n(S) কীভাবে কাজ করে, আর বহুবার নিক্ষেপ করলে পরীক্ষালব্ধ হার কীভাবে তাত্ত্বিক সম্ভাবনার কাছাকাছি চলে আসে — মুদ্রা, ছক্কা, দুই ছক্কা ও রঙিন বল দিয়ে ইন্টারঅ্যাকটিভ সিমুলেশন ও সমাধান করা অঙ্কসহ।
SSC · HSC
সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা
সমান্তর ধারা ও গুণোত্তর ধারার n-তম পদ ও যোগফল সূত্র, গাউসের জোড়া বাঁধার কৌশল আর অসীম ধারার সূত্র a/(1−r): বার-চার্ট অ্যানিমেশনে নিজে টেনে দেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।
SSC
গড়, মধ্যক ও প্রচুরক
গড়, মধ্যক ও প্রচুরক নির্ণয়ের সূত্র, আউটলায়ারে মধ্যক কেন অটুট থাকে, আর শ্রেণিবদ্ধ উপাত্তের মধ্যক-প্রচুরক সূত্র: বিন্দু টেনে সংখ্যা রেখায় নিজে দেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।
অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন
পদার্থবিজ্ঞান
আলোর প্রতিসরণ
পদার্থবিজ্ঞান
ওহমের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
প্রাসের গতি
পদার্থবিজ্ঞান
সরল দোলক
পদার্থবিজ্ঞান
তড়িৎ ক্ষেত্র
পদার্থবিজ্ঞান
তরঙ্গের ব্যতিচার
পদার্থবিজ্ঞান
পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন
পদার্থবিজ্ঞান
নিউটনের গতির সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন
পদার্থবিজ্ঞান
তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ
পদার্থবিজ্ঞান
কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি
পদার্থবিজ্ঞান
নততল
রসায়ন
পরমাণুর গঠন
রসায়ন
এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল
রসায়ন
ইলেকট্রন বিন্যাস
রসায়ন
গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ
রসায়ন
আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়
রসায়ন
তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র
রসায়ন
সমযোজী বন্ধন
রসায়ন
পর্যায়বৃত্ত ধর্ম
জীববিজ্ঞান
মাইটোসিস কোষ বিভাজন
জীববিজ্ঞান
ব্যাপন ও অভিস্রবণ
জীববিজ্ঞান
সালোকসংশ্লেষণ
জীববিজ্ঞান
মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ
জীববিজ্ঞান
মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র
জীববিজ্ঞান
ডিএনএ রেপ্লিকেশন
জীববিজ্ঞান
কোষীয় শ্বসন
জীববিজ্ঞান
এনজাইম ক্রিয়া
জীববিজ্ঞান
স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল
জীববিজ্ঞান
নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া
জীববিজ্ঞান
মিয়োসিস কোষ বিভাজন
জীববিজ্ঞান






















