স্লাইডার বদলে বিভিন্ন প্রবাহ ও সময়ে কত ভর জমা হয় দেখো
নিয়ন্ত্রণ
তড়িৎ বিশ্লেষ্য বেছে নাও
পরিমাপ
- মোট চার্জ, Q = It
- ১,২০০.০C
- ইলেকট্রনের মোল, Q/F
- ০.০১২৪mol
- ক্যাথোডের উৎপাদ
- Na
- ক্যাথোডে জমা ভর, m = MIt/(nF)
- ০.২৮৬g
- অ্যানোডের উৎপাদ
- Cl₂
- অ্যানোডে উৎপন্ন/ক্ষয়প্রাপ্ত ভর
- ০.৪৪২g
- উৎপাদের মোল অনুপাত (ক্যাথোড : অ্যানোড)
- ২ : ১
- এই মুহূর্তে
- ক্লোরাইড আয়ন নিজেই সরাসরি জারিত হয়ে ক্লোরিন গ্যাস তৈরি করছে
সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে
- প্রথমে ডিফল্ট সেটিং দেখো: গলিত NaCl, প্রবাহ ২A, সময় ১০ মিনিট। চালু চাপো: বাম দিকের ক্যাথোডে সোডিয়াম ধাতুর ফোঁটা জমতে থাকবে, ডান দিকের অ্যানোডে ক্লোরিন গ্যাসের বুদবুদ উঠবে।
- তারে ছোট কমলা বিন্দুগুলো লক্ষ করো: এগুলো ইলেকট্রন, ব্যাটারির (−) প্রান্ত থেকে ক্যাথোডে আর অ্যানোড থেকে ব্যাটারির (+) প্রান্তে যাচ্ছে।
- “তড়িৎ বিশ্লেষ্য বেছে নাও” থেকে CuSO₄ বেছে নাও, তারপর “অ্যানোডের ধাতু” থেকে কপার বেছে নাও: এবার অ্যানোডটাই ধীরে ধীরে ক্ষয় হয়ে ছোট হতে দেখবে, কারণ কপার নিজেই দ্রবণে দ্রবীভূত হচ্ছে।
- একই CuSO₄-তে “নিষ্ক্রিয় ইলেকট্রোড” বেছে নাও: এবার অ্যানোড আর ক্ষয় হয় না, বরং সেখান থেকে অক্সিজেন গ্যাসের বুদবুদ ওঠে।
- অম্লীভূত পানি বেছে নিয়ে প্রবাহ বাড়াও-কমাও: পরিমাপ প্যানেলে H₂ আর O₂-এর মোল অনুপাত সবসময় ২ : ১ থাকে দেখো।
গহনার সোনালি প্রলেপ থেকে বিমানের শরীর পর্যন্ত
রূপার চামচে সোনার পাতলা প্রলেপ, সস্তা গয়নায় সোনার রং, গাড়ির যন্ত্রাংশে মরচে ঠেকাতে ক্রোমিয়ামের চকচকে আস্তরণ — এই সবকিছুর পেছনে একটাই কৌশল: তড়িৎ বিশ্লেষণ। বিদ্যুৎ প্রবাহ দিয়ে একটা ধাতুর আয়নকে টেনে নিয়ে অন্য একটা বস্তুর গায়ে বসিয়ে দেওয়া যায়, ঠিক যেমন এই পাতার সিমুলেশনে কপার একটা ইলেকট্রোডের গায়ে জমতে দেখবে।
শিল্পে এর ব্যাপ্তি আরও বড়। বক্সাইট থেকে অ্যালুমিনিয়াম বের করা, লবণাক্ত পানি থেকে ক্লোরিন-হাইড্রোজেন-সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড আলাদা করা (ক্লোর-অ্যালকালি শিল্প), অশুদ্ধ কপারকে বিশুদ্ধ করা — সবই তড়িৎ বিশ্লেষণের শিল্প-সংস্করণ। অথচ এত বড় বড় কাজের মূলনীতিটা এতই সহজ যে তুমি নিজেই উপরের সিমুলেশনে হাতেকলমে দেখতে পারবে।
প্রশ্ন হলো, বিদ্যুৎ প্রবাহিত করলেই কেন যৌগ ভেঙে যায়, কোন আয়ন কোন ইলেকট্রোডে যায়, আর ঠিক কতটুকু ধাতু বা গ্যাস তৈরি হবে তা আগে থেকেই বলে দেওয়া যায় কীভাবে? এই পাতা আর সিমুলেশন মিলিয়ে উত্তরটা নিজেই বের করে ফেলবে তুমি।
মজার ব্যাপার হলো, এই পুরো ব্যাপারটা হিসাব করার সূত্রটাও প্রায় দুইশ বছর ধরে একই আছে, আর সেটা এত নির্ভুল যে আজকের সোনার প্রলেপ কারখানা থেকে শুরু করে মহাকাশযানের যন্ত্রাংশ পালিশ করা পর্যন্ত সবখানে হুবহু একই সমীকরণ ব্যবহার হয়। তুমি নিজেও একই সমীকরণ দিয়ে হিসাব করে সিমুলেশনের ফলাফলের সাথে মিলিয়ে দেখতে পারবে।
একদম শুরু থেকে: তড়িৎ বিশ্লেষণ আর তড়িৎ বিশ্লেষ্য
যে তরল পদার্থ (গলিত অবস্থায় বা পানিতে দ্রবীভূত অবস্থায়) বিদ্যুৎ পরিবহন করে আর সেই বিদ্যুতের প্রভাবে রাসায়নিকভাবে ভেঙে যায়, তাকে তড়িৎ বিশ্লেষ্য বলে। NaCl কঠিন অবস্থায় বিদ্যুৎ পরিবহন করে না (আয়নগুলো জালিকায় আটকে থাকে), কিন্তু গলিয়ে ফেললে বা পানিতে দ্রবীভূত করলে আয়নগুলো মুক্ত হয়ে চলাচল করতে পারে, তখনই সেটা তড়িৎ বিশ্লেষ্য হিসেবে কাজ করে।
দুটো ধাতব দণ্ড বা পাত তড়িৎ বিশ্লেষ্যের মধ্যে ডুবিয়ে ব্যাটারির সাথে যুক্ত করলে তৈরি হয় তড়িৎ বিশ্লেষণ কোষ। যে ইলেকট্রোড ব্যাটারির ঋণাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত, সেটাকে বলে ক্যাথোড; যেটা ধনাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত, সেটা অ্যানোড। ব্যাটারি ক্যাথোডে ইলেকট্রন ঠেলে দেয়, তাই তড়িৎ বিশ্লেষণে ক্যাথোড ঋণাত্মক ইলেকট্রোড — এটা মনে রাখা জরুরি, কারণ সাধারণ ব্যাটারি বা গ্যালভানিক কোষে উল্টো হয়।
দ্রবণের ধনাত্মক আয়ন (ক্যাটায়ন) আকৃষ্ট হয় ঋণাত্মক ক্যাথোডের দিকে, সেখানে গিয়ে ইলেকট্রন নিয়ে বিজারিত হয় (রিডাকশন)। ঋণাত্মক আয়ন (অ্যানায়ন) আকৃষ্ট হয় ধনাত্মক অ্যানোডের দিকে, সেখানে ইলেকট্রন ছেড়ে জারিত হয় (অক্সিডেশন)। মনে রাখার সহজ উপায়: ক্যাথোডে বিজারণ, অ্যানোডে জারণ — দুটো শব্দেরই প্রথম অক্ষর মিলিয়ে “ক্যাব” (Cathode-reduction, Anode-oxidation থেকে) বলে মনে রাখো।
তড়িৎ বিশ্লেষণ আর সাধারণ ব্যাটারি (গ্যালভানিক কোষ) একে অন্যের বিপরীত। ব্যাটারিতে একটা স্বতঃস্ফূর্ত রাসায়নিক বিক্রিয়া নিজে থেকেই বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে। তড়িৎ বিশ্লেষণে উল্টো — বিক্রিয়াটা নিজে থেকে ঘটে না, তাই বাইরে থেকে বিদ্যুৎ প্রবাহ দিয়ে জোর করে ঘটাতে হয়। এই কারণেই তড়িৎ বিশ্লেষণে শক্তি খরচ হয়, ব্যাটারিতে শক্তি পাওয়া যায়।
১৮৩৪ সালে মাইকেল ফ্যারাডে যখন এই ঘটনাগুলো নিয়ে গবেষণা করছিলেন, তখন ইলেকট্রোড, তড়িৎ বিশ্লেষ্য, ক্যাথোড, অ্যানোড, আয়ন — এই শব্দগুলোর কোনোটাই চালু ছিল না। তিনি তাঁর বন্ধু, ভাষাবিদ ও দার্শনিক উইলিয়াম হুয়েলের সাহায্যে গ্রিক শব্দমূল থেকে নামগুলো তৈরি করেন (ক্যাথোড মানে ‘নিচের দিকের পথ’, অ্যানোড মানে ‘ওপরের দিকের পথ’, আয়ন মানে ‘যে ভ্রমণ করে’)। প্রায় দুইশ বছর পরেও পুরো তড়িৎ রসায়ন এই একই নামগুলো দিয়েই পড়ানো হচ্ছে।
বাস্তবে দ্রবণের আয়নগুলো সরলরেখায় হেঁটে সরাসরি ইলেকট্রোডে পৌঁছায় না। তাপীয় শক্তির কারণে তারা এলোমেলোভাবে কাঁপতে কাঁপতে এগোয়, শুধু গড়ে একটা নির্দিষ্ট দিকে (নিজ নিজ ইলেকট্রোডের দিকে) সরে যায় বৈদ্যুতিক ক্ষেত্রের টানে। প্রবাহ যত বাড়ে, টানও তত জোরালো হয়, তাই আয়নগুলো তত দ্রুত পৌঁছায় — সিমুলেশনে প্রবাহ স্লাইডার বাড়ালে আয়নগুলোর কাঁপা কাঁপা চলাফেরা দ্রুত হতে দেখেই এটা বোঝা যায়।
তড়িৎ রসায়নের গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলো
সূত্রে যাওয়ার আগে শব্দগুলো ঝালিয়ে নিই। পরীক্ষার “কাকে বলে” প্রশ্ন এখান থেকেই আসে।
| শব্দ | সহজ ভাষায় অর্থ | উদাহরণ |
|---|---|---|
| তড়িৎ বিশ্লেষ্য | গলিত বা দ্রবীভূত অবস্থায় বিদ্যুৎ পরিবহন করে এমন যৌগ | গলিত NaCl, CuSO₄ দ্রবণ |
| তড়িৎ বিশ্লেষণ | বিদ্যুৎ প্রবাহ দিয়ে তড়িৎ বিশ্লেষ্যকে ভেঙে উপাদান মৌলে পরিণত করা | NaCl → Na + Cl₂ |
| ক্যাথোড | ব্যাটারির (−) প্রান্তের সাথে যুক্ত ইলেকট্রোড, যেখানে বিজারণ ঘটে | Na⁺ + e⁻ → Na |
| অ্যানোড | ব্যাটারির (+) প্রান্তের সাথে যুক্ত ইলেকট্রোড, যেখানে জারণ ঘটে | 2Cl⁻ → Cl₂ + 2e⁻ |
| ফ্যারাডে ধ্রুবক, F | ১ মোল ইলেকট্রনের মোট চার্জ | ৯৬,৪৮৫ কুলম্ব/মোল |
| চার্জ, Q | প্রবাহ ও সময়ের গুণফল | Q = It |
| দর্শক আয়ন | দ্রবণে থাকে কিন্তু ইলেকট্রোডে বিক্রিয়ায় অংশ নেয় না | CuSO₄-তে SO₄²⁻ |
ফ্যারাডের সূত্র: চার্জ থেকে ভরে
মাইকেল ফ্যারাডে লক্ষ করেছিলেন, তড়িৎ বিশ্লেষণে কোনো ইলেকট্রোডে যত ভর জমা হয় বা মুক্ত হয়, তা প্রবাহিত মোট চার্জের সমানুপাতিক, আর সেই ভর নির্ভর করে ঐ মৌলের প্রতি একক আয়নে কয়টা ইলেকট্রন লাগে তার ওপর। এই পর্যবেক্ষণ দুটো সূত্র আকারে লেখা যায়, কিন্তু ব্যবহারিক কাজে দুটোকে একসাথে একটামাত্র সমীকরণে বসানো যায়।
Q = Itচার্জ = প্রবাহ × সময়
n(ইলেকট্রন) = Q/Fইলেকট্রনের মোল সংখ্যা
m = MIt/(nF)ফ্যারাডের সূত্র: M মোলার ভর, n আয়ন প্রতি ইলেকট্রন সংখ্যা
ফ্যারাডে ধ্রুবক আসলে কী
১ মোল ইলেকট্রনের মোট চার্জই ফ্যারাডে ধ্রুবক। প্রতিটা ইলেকট্রনের চার্জ ১.৬০২ × ১০⁻¹⁹ কুলম্ব, আর ১ মোলে থাকে অ্যাভোগেড্রো সংখ্যক (৬.০২২ × ১০²³টি) কণা। দুটো গুণ করলেই পাওয়া যায় F = ৬.০২২ × ১০²³ × ১.৬০২ × ১০⁻¹⁹ ≈ ৯৬,৪৮৫ কুলম্ব/মোল।
ছয়টি যৌগের পরিবর্তে চারটি তড়িৎ বিশ্লেষ্যের তুলনা
নিচের সারণিতে সিমুলেশনের চারটি অবস্থা (গলিত NaCl, কপার ইলেকট্রোডে CuSO₄, নিষ্ক্রিয় ইলেকট্রোডে CuSO₄, অম্লীভূত পানি) পাশাপাশি রাখা হলো। লক্ষ করো, ক্লোরাইড আয়ন নিজেই জারিত হয় শুধু গলিত NaCl-এ; বাকি তিনটেতে আসলে পানির অণু জারিত হয় (অথবা কপার ইলেকট্রোড নিজেই), সালফেট আয়ন শুধু দর্শক।
| তড়িৎ বিশ্লেষ্য | ক্যাথোডের উৎপাদ | অ্যানোডের উৎপাদ | মোল অনুপাত (ক্যাথোড : অ্যানোড) |
|---|---|---|---|
| গলিত NaCl | Na | Cl₂ | ২ : ১ |
| CuSO₄ দ্রবণ — নিষ্ক্রিয় ইলেকট্রোড | Cu | O₂ | ২ : ১ |
| CuSO₄ দ্রবণ — কপার ইলেকট্রোড | Cu | Cu (↓) | ১ : ১ |
| অম্লীভূত পানি | H₂ | O₂ | ২ : ১ |
সিমুলেশনে নিজে পরীক্ষা করো
প্রতিটা পরীক্ষায় আগে অনুমান করো, তারপর চালিয়ে মিলিয়ে দেখো।
- গলিত NaCl-এ প্রবাহ ২A আর সময় ১০ মিনিট রেখে পরিমাপ প্যানেলে “ক্যাথোডে জমা ভর” দেখো, তারপর হাতে হিসাব করে মিলিয়ে দেখো (নিচের সমস্যা ১)।
- CuSO₄ বেছে নিয়ে কপার আর নিষ্ক্রিয় ইলেকট্রোডের মধ্যে বদলাও: ক্যাথোডে কপার জমার হার একই থাকে, শুধু অ্যানোডের আচরণ বদলায়।
- প্রবাহ দ্বিগুণ করে দেখো: ক্যাথোডে জমা ভরও ঠিক দ্বিগুণ হয়ে যায় (সমস্যা ৭ দ্রষ্টব্য), কারণ m সরাসরি I-এর সমানুপাতিক।
- অম্লীভূত পানিতে যেকোনো প্রবাহ ও সময়ে H₂ আর O₂-এর “মোল অনুপাত” দেখো: সবসময় ২ : ১ থাকবে, প্রবাহ যতই বদলাও না কেন।
- সময় স্লাইডার বাড়াতে বাড়াতে দেখো বুদবুদ বা প্রলেপ কীভাবে ক্রমাগত বাড়তে থাকে, কারণ ভর সরাসরি t-এর সমানুপাতিক।
গাণিতিক সমস্যা ও সমাধান
প্রতিটা সমাধানে প্রথমে চার্জ Q = It বের করব, তারপর ফ্যারাডের সূত্র m = MIt/(nF) প্রয়োগ করব।
সমস্যা ১: গলিত NaCl (সিমুলেশনের ডিফল্ট মান)
প্রবাহ I = ২ A, সময় t = ১০ মিনিট = ৬০০ সেকেন্ড। চার্জ Q = It = ২ × ৬০০ = ১,২০০ কুলম্ব। ইলেকট্রনের মোল = Q/F = ১,২০০/৯৬,৪৮৫ = ০.০১২৪৪ mol।
ক্যাথোডে সোডিয়াম (M = ২৩, n = ১): m = MIt/(nF) = ২৩ × ১,২০০ / (১ × ৯৬,৪৮৫) = ০.২৮৬ g। অ্যানোডে ক্লোরিন গ্যাস (M = ৭১, n = ২): m = ৭১ × ১,২০০ / (২ × ৯৬,৪৮৫) = ০.৪৪২ g। মোল অনুপাত Na : Cl₂ = ২ : ১।
সমস্যা ২: কপার শোধন (কপার ইলেকট্রোডে CuSO₄)
প্রবাহ ২ A, সময় ৩০ মিনিট = ১,৮০০ s। চার্জ Q = ৩,৬০০ C, ইলেকট্রনের মোল = ০.০৩৭৩১ mol।
Cu²⁺ + ২e⁻ → Cu (n = ২, M = ৬৩.৫): ক্যাথোডে জমা ভর = ১.১৮৫ g। অ্যানোডের কপার একই হারে ক্ষয় হয়: ১.১৮৫ g, কারণ দুই ইলেকট্রোডেই n একই। মোল অনুপাত ১ : ১ — এক আয়নের ঘাটতি সাথে সাথেই আরেক আয়ন পূরণ করছে, তাই দ্রবণের নীল রং প্রায় একই থাকে।
সমস্যা ৩: নিষ্ক্রিয় ইলেকট্রোডে CuSO₄
প্রবাহ ১.৫ A, সময় ২০ মিনিট = ১,২০০ s। চার্জ Q = ১,৮০০ C।
ক্যাথোডে কপার জমে ০.৫৯২ g (আগের মতোই)। কিন্তু অ্যানোডে এবার কপার নেই বলে পানি জারিত হয়ে অক্সিজেন গ্যাস তৈরি হয় (O₂, n = ৪, M = ৩২): ০.১৪৯ g। মোল অনুপাত Cu : O₂ = ২ : ১।
সমস্যা ৪: অম্লীভূত পানি — H₂ ও O₂-এর অনুপাত
প্রবাহ ৩ A, সময় ৫০০ s। চার্জ Q = ১,৫০০ C।
ক্যাথোডে H₂ (n = ২, M = ২): ০.০১৬ g। অ্যানোডে O₂ (n = ৪, M = ৩২): ০.১২৪ g। মোল অনুপাত H₂ : O₂ = ২ : ১ — একই চার্জে সবসময় দ্বিগুণ মোল H₂ তৈরি হয়, কারণ H₂-এর প্রতি অণুতে মাত্র ২টা ইলেকট্রন লাগে, O₂-এর ৪টা।
সমস্যা ৫ (তিনটে প্রিসেটের বাইরে): রুপার প্রলেপ
একটা গয়নায় রুপার প্রলেপ দিতে Ag⁺ + e⁻ → Ag বিক্রিয়া ব্যবহার হয় (n = ১, M = ১০৮)। প্রবাহ ০.৫ A দিয়ে ৩০ মিনিট চালালে চার্জ Q = ৯০০ C।
জমা রুপার ভর m = ১০৮ × ৯০০ / (১ × ৯৬,৪৮৫) = ১.০০৭ g। তিনটে প্রিসেটের বাইরের যেকোনো ধাতুতেও একই সূত্র খাটে, শুধু M আর n বদলাতে হয়।
সমস্যা ৬: ফ্যারাডে ধ্রুবকের মানে কী, সময়ের হিসাবে
প্রশ্ন: ৫ A প্রবাহে ঠিক ১ মোল ইলেকট্রন (অর্থাৎ ১ ফ্যারাডে চার্জ) পার হতে কত সময় লাগবে?
t = F/I = ৯৬,৪৮৫ / ৫ = ১৯,২৯৭ s ≈ ৫.৩৬ ঘণ্টা। এটাই ফ্যারাডে ধ্রুবকের বাস্তব মানে — ১ মোল ইলেকট্রন সরাতে ঠিক কতটা চার্জ লাগে, তার একক সংখ্যা।
সমস্যা ৭: প্রবাহ দ্বিগুণ হলে ভরও দ্বিগুণ
একই ১০ মিনিট (৬০০ s) সময়ে নিষ্ক্রিয় ইলেকট্রোডে CuSO₄-এর ক্যাথোডে ১ A আর ৪ A প্রবাহে কত কপার জমে তুলনা করো।
১ A-এ m = ০.১৯৭ g, ৪ A-এ m = ০.৭৯০ g। ০.৭৯০ ÷ ০.১৯৭ ≈ ৪, ঠিক প্রবাহের অনুপাতের সমান — কারণ ফ্যারাডের সূত্রে m সরাসরি I-এর সমানুপাতিক।
যে ভুলগুলো সবাই করে
এই ভুলগুলো এড়ালে তড়িৎ রসায়নের সংজ্ঞা আর অঙ্ক দুই ধরনের প্রশ্নেই নম্বর কাটার ভয় থাকে না।
- তড়িৎ বিশ্লেষণে ক্যাথোডকে ধনাত্মক ভাবা। আসলে তড়িৎ বিশ্লেষণে ক্যাথোড ঋণাত্মক, অ্যানোড ধনাত্মক — সাধারণ ব্যাটারি/গ্যালভানিক কোষে ঠিক উল্টো, তাই দুটো গুলিয়ে ফেলা সবচেয়ে সাধারণ ভুল।
- বিজারণ আর জারণ উল্টে ফেলা। ক্যাথোডে সবসময় বিজারণ (ইলেকট্রন গ্রহণ), অ্যানোডে সবসময় জারণ (ইলেকট্রন ত্যাগ) — এই নিয়ম প্রতিটা তড়িৎ রাসায়নিক কোষে সমান।
- সালফেট আয়নকে অ্যানোডে বিক্রিয়া করছে ভাবা। CuSO₄ বা অম্লীভূত পানিতে সালফেট শুধু দর্শক আয়ন; আসলে পানি জারিত হয় (বা কপার ইলেকট্রোড হলে কপার নিজেই)।
- ফ্যারাডের সূত্রে n বসাতে ভুল করা। n মানে প্রতি একক আয়ন/অণু আয়ন-বিনিময়ে কয়টা ইলেকট্রন লাগে (Cu²⁺-এ ২, Na⁺-এ ১, O₂-এ ৪), মোট চার্জ বা প্রবাহ না।
- সময়কে মিনিট রেখেই সূত্রে বসিয়ে দেওয়া। ফ্যারাডের সূত্রে t সবসময় সেকেন্ডে বসাতে হবে, মিনিট বা ঘণ্টায় নয়।
- ভর দ্বিগুণ করতে ভুলে ভাবা প্রবাহ দ্বিগুণ হলে সময়ও দ্বিগুণ করতে হবে। আসলে I আর t দুটোই স্বাধীনভাবে ভরের সমানুপাতিক (m ∝ It), তাই যেকোনো একটা দ্বিগুণ করলেই ভর দ্বিগুণ হয়।
বাস্তব জীবনে তড়িৎ বিশ্লেষণ
তড়িৎ বিশ্লেষণ শুধু পরীক্ষার জন্য না, শিল্প থেকে ঘরোয়া গয়না পর্যন্ত অনেক কিছুর পেছনেই এই প্রক্রিয়া।
- তড়িৎ প্রলেপন (ইলেকট্রোপ্লেটিং): সস্তা ধাতুর গয়নায় সোনা বা রুপার পাতলা প্রলেপ, গাড়ির যন্ত্রাংশে ক্রোমিয়াম বা নিকেলের প্রলেপ দিয়ে মরচে ঠেকানো।
- কপার শোধন: অশুদ্ধ কপারকে অ্যানোড বানিয়ে তড়িৎ বিশ্লেষণ করলে বিশুদ্ধ কপার ক্যাথোডে জমে, বৈদ্যুতিক তারের জন্য প্রয়োজনীয় বিশুদ্ধতা এভাবেই পাওয়া যায়।
- অ্যালুমিনিয়াম নিষ্কাশন: বক্সাইট থেকে পাওয়া অ্যালুমিনা গলিয়ে তড়িৎ বিশ্লেষণ করে অ্যালুমিনিয়াম ধাতু বের করা হয় (হল-এরু প্রক্রিয়া), কারণ অ্যালুমিনিয়াম এত সক্রিয় যে সাধারণ রাসায়নিক বিজারণে বিশুদ্ধ পাওয়া যায় না।
- ক্লোর-অ্যালকালি শিল্প: লবণাক্ত পানির (ব্রাইন) তড়িৎ বিশ্লেষণ থেকে ক্লোরিন গ্যাস, হাইড্রোজেন গ্যাস আর সোডিয়াম হাইড্রক্সাইড (কস্টিক সোডা) একসাথে উৎপন্ন হয়, যা সাবান-ব্লিচ শিল্পের ভিত্তি।
- গাড়ির ব্যাটারি চার্জ করা: চার্জ করার সময় ব্যাটারিটা আসলে একটা তড়িৎ বিশ্লেষণ কোষের মতো কাজ করে, বাইরে থেকে বিদ্যুৎ নিয়ে ভেতরের রাসায়নিক বিক্রিয়া উল্টে দেয়।
- জাহাজ বা পাইপলাইনের মরচে ঠেকাতে ত্যাগী অ্যানোড: লোহার সাথে জিংক বা ম্যাগনেসিয়ামের একটা টুকরো ইচ্ছাকৃতভাবে জুড়ে দেওয়া হয়, যা লোহার বদলে নিজে ক্ষয় হয়ে লোহাকে বাঁচায়। এটা তড়িৎ বিশ্লেষণ নয়, বরং তার উল্টো (গ্যালভানিক) নীতির ব্যবহার — তবু একই তড়িৎ রাসায়নিক ধারণা (কোন ধাতু আগে জারিত হয়) এখানেও কাজ করে।
পরীক্ষার কর্নার: SSC ও HSC
SSC রসায়নের রাসায়নিক বিক্রিয়া/তড়িৎ রসায়ন অংশে আর HSC ২য় পত্রে তড়িৎ বিশ্লেষণ নিয়মিত আসে। জ্ঞানমূলক প্রশ্নে সংজ্ঞা ও ক্যাথোড-অ্যানোড চেনা, অনুধাবনে “তড়িৎ বিশ্লেষণে ক্যাথোড ঋণাত্মক কেন”, আর প্রয়োগ-উচ্চতর দক্ষতায় ফ্যারাডের সূত্রের অঙ্ক থাকে।
অঙ্ক করার সময় সবচেয়ে বেশি নম্বর কাটা যায় এককের ভুলে — সময় সেকেন্ডে না বসালে, বা n-এর জায়গায় ভুল সংখ্যা বসালে পুরো উত্তরটাই ভুল হয়ে যায়, যদিও পদ্ধতি ঠিক থাকে। তাই প্রতিটা ধাপে একক লিখে লিখে এগোনোই সবচেয়ে নিরাপদ কৌশল।
একটি নমুনা সৃজনশীল প্রশ্ন
উদ্দীপক: একটা তড়িৎ বিশ্লেষণ কোষে CuSO₄ দ্রবণে নিষ্ক্রিয় প্ল্যাটিনাম ইলেকট্রোড ব্যবহার করে ১.৫ A প্রবাহ ২০ মিনিট চালানো হলো।
ক) তড়িৎ বিশ্লেষ্য কাকে বলে? খ) ক্যাথোড ও অ্যানোডে কী বিক্রিয়া ঘটে তা সমীকরণসহ লেখো। গ) ক্যাথোডে জমা কপারের ভর নির্ণয় করো। ঘ) “নিষ্ক্রিয় ইলেকট্রোডের বদলে কপার ইলেকট্রোড ব্যবহার করলে অ্যানোডে কোনো গ্যাস উৎপন্ন হতো না”— বিশ্লেষণ করো।
গ-এর উত্তর: m = MIt/(nF) = ৬৩.৫ × ১,৮০০ / (২ × ৯৬,৪৮৫) = ০.৫৯২ g। ঘ-এর মূল কথা: কপার ইলেকট্রোড হলে অ্যানোডে সালফেট বা পানির বদলে কপার নিজেই জারিত হয়ে Cu²⁺ হয়ে দ্রবণে মিশে যায় (Cu → Cu²⁺ + ২e⁻), কোনো গ্যাস তৈরি হয় না।
রিভিশন: শেষ মুহূর্তের সারসংক্ষেপ
পরীক্ষার আগের রাতে শুধু এই তালিকা আর ফ্যারাডের সূত্রের তিনটে লাইন একবার দেখে নিলেই যথেষ্ট।
- তড়িৎ বিশ্লেষণ: বহিঃস্থ বিদ্যুৎ দিয়ে অস্বতঃস্ফূর্ত রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটানো; ক্যাথোড ঋণাত্মক (বিজারণ), অ্যানোড ধনাত্মক (জারণ)।
- ফ্যারাডের সূত্র: Q = It, ইলেকট্রনের মোল = Q/F, m = MIt/(nF); F = ৯৬,৪৮৫ কুলম্ব/মোল।
- গলিত NaCl-এ ক্লোরাইড নিজেই জারিত হয়; জলীয় CuSO₄ ও অম্লীভূত পানিতে সাধারণত পানি জারিত হয়, সালফেট শুধু দর্শক।
- কপার ইলেকট্রোডে CuSO₄ তড়িৎ বিশ্লেষণ করলে অ্যানোড নিজেই দ্রবীভূত হয়, গ্যাস তৈরি হয় না — এটাই কপার শোধনের নীতি।
- অম্লীভূত পানিতে H₂ ও O₂ সবসময় ২ : ১ মোল অনুপাতে তৈরি হয়, কারণ H₂-তে n = ২ আর O₂-তে n = ৪।
- ভর সরাসরি প্রবাহ ও সময়ের সমানুপাতিক (m ∝ It); দুটোর যেকোনো একটা দ্বিগুণ করলেই জমা ভর দ্বিগুণ হয়।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
তড়িৎ বিশ্লেষণ কাকে বলে?
বহিঃস্থ বিদ্যুৎ প্রবাহ চালিয়ে কোনো তড়িৎ বিশ্লেষ্যকে (গলিত বা দ্রবীভূত আয়নিক যৌগকে) রাসায়নিকভাবে ভেঙে তার উপাদান মৌল বা যৌগে পরিণত করার প্রক্রিয়াকে তড়িৎ বিশ্লেষণ বলে। এটা একটা অস্বতঃস্ফূর্ত বিক্রিয়া, তাই চালিয়ে রাখতে বিদ্যুৎ শক্তি লাগে।
তড়িৎ বিশ্লেষণে ক্যাথোড ও অ্যানোড কোনটা কী?
ক্যাথোড হলো ব্যাটারির ঋণাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত ইলেকট্রোড, যেখানে ক্যাটায়ন ইলেকট্রন নিয়ে বিজারিত হয়। অ্যানোড হলো ব্যাটারির ধনাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত ইলেকট্রোড, যেখানে অ্যানায়ন ইলেকট্রন ছেড়ে জারিত হয়।
ফ্যারাডের তড়িৎ বিশ্লেষণ সূত্র কী?
m = MIt/(nF)। এখানে m জমা হওয়া ভর, M মোলার ভর, I প্রবাহ (অ্যাম্পিয়ার), t সময় (সেকেন্ড), n প্রতি আয়নে ইলেকট্রন সংখ্যা, আর F = ৯৬,৪৮৫ কুলম্ব/মোল ফ্যারাডে ধ্রুবক।
ফ্যারাডে ধ্রুবক কী আর এর মান কত?
ফ্যারাডে ধ্রুবক হলো ১ মোল ইলেকট্রনের মোট চার্জ, যার মান প্রায় ৯৬৪৮৫ কুলম্ব/মোল। এটা অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও একটা ইলেকট্রনের চার্জের গুণফল থেকে আসে।
গলিত NaCl তড়িৎ বিশ্লেষণ করলে কী উৎপন্ন হয়?
ক্যাথোডে সোডিয়াম ধাতু (Na⁺ + e⁻ → Na) আর অ্যানোডে ক্লোরিন গ্যাস (2Cl⁻ → Cl₂ + 2e⁻) উৎপন্ন হয়। এই পদ্ধতিতেই শিল্পে বিশুদ্ধ সোডিয়াম ধাতু তৈরি করা হয়।
CuSO₄ দ্রবণে কপার আর নিষ্ক্রিয় ইলেকট্রোডের ফলাফল আলাদা কেন?
দুই ক্ষেত্রেই ক্যাথোডে কপার জমে। কিন্তু কপার অ্যানোডে কপার নিজেই দ্রবণে দ্রবীভূত হয়ে যায় (কোনো গ্যাস তৈরি হয় না), আর নিষ্ক্রিয় অ্যানোডে পানি জারিত হয়ে অক্সিজেন গ্যাস তৈরি হয়, কারণ নিষ্ক্রিয় ইলেকট্রোড নিজে বিক্রিয়া করে না।
অম্লীভূত পানির তড়িৎ বিশ্লেষণে H₂ আর O₂ সবসময় ২ : ১ অনুপাতে হয় কেন?
H₂ তৈরি হতে প্রতি অণুতে মাত্র ২টা ইলেকট্রন লাগে (2H⁺ + 2e⁻ → H₂), কিন্তু O₂ তৈরি হতে ৪টা ইলেকট্রন লাগে (2H₂O → O₂ + 4H⁺ + 4e⁻)। একই চার্জে তাই H₂-এর মোল সবসময় O₂-এর দ্বিগুণ হয়।
তড়িৎ বিশ্লেষণ আর সাধারণ ব্যাটারির (গ্যালভানিক কোষের) পার্থক্য কী?
গ্যালভানিক কোষে একটা স্বতঃস্ফূর্ত রাসায়নিক বিক্রিয়া নিজে থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে। তড়িৎ বিশ্লেষণ কোষে উল্টো: বিক্রিয়াটা নিজে থেকে ঘটে না, তাই বাইরে থেকে বিদ্যুৎ দিয়ে জোর করে ঘটাতে হয়। এই কারণে দুই ধরনের কোষে ক্যাথোড-অ্যানোডের চার্জও উল্টো হয়।
প্রবাহ দ্বিগুণ করলে জমা হওয়া ভরও কি দ্বিগুণ হয়?
হ্যাঁ। ফ্যারাডের সূত্রে m সরাসরি I-এর সমানুপাতিক (একই সময়ে), তাই প্রবাহ দ্বিগুণ করলে জমা ভরও ঠিক দ্বিগুণ হয়ে যায়। একই কথা সময়ের ক্ষেত্রেও সত্যি।
তড়িৎ বিশ্লেষণে কি সবসময় ধাতু তৈরি হয়?
না। তড়িৎ বিশ্লেষ্য আর ইলেকট্রোডের ওপর নির্ভর করে ক্যাথোডে ধাতু (যেমন Na, Cu) অথবা গ্যাস (যেমন H₂) তৈরি হতে পারে; অ্যানোডে গ্যাস (Cl₂, O₂) তৈরি হতে পারে, অথবা ইলেকট্রোড নিজেই ক্ষয় হয়ে দ্রবণে মিশে যেতে পারে, যেমন কপার ইলেকট্রোডে CuSO₄ তড়িৎ বিশ্লেষণে হয়।
এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা
অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।
HSC
এইচএসসি রসায়ন: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
ভর্তি
ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি
SSC
এসএসসি রসায়ন: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
পাঠ্যবই
নবম-দশম শ্রেণির রসায়ন বই
ভর্তি
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি
ভর্তি
ঢাবি বিজ্ঞান ইউনিট ভর্তি ২০২৬-২৭
English
Paragraph: Environment Pollution (ইংরেজিতে)
বাংলা
রচনা: পরিবেশ দূষণ
English
Composition: Wonders of Modern Science (ইংরেজিতে)
SSC
এসএসসি সাজেশন
HSC
এইচএসসি সাজেশন
ভর্তি
বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার গাইড
SSC
এসএসসি সিলেবাস
HSC
এইচএসসি সিলেবাস
আরও রসায়ন অ্যানিমেশন
SSC · HSC
পরমাণুর গঠন
পরমাণুর গঠন চিত্রসহ ব্যাখ্যা: প্রোটন, নিউট্রন, ইলেকট্রন, পারমাণবিক সংখ্যা, ভরসংখ্যা, আইসোটোপ ও ইলেকট্রন বিন্যাস। নিজে পরমাণু বানিয়ে দেখো, গাণিতিক উদাহরণসহ।
SSC · HSC
এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল
pH কি বা কাকে বলে, pH স্কেল কীভাবে কাজ করে, এসিড ও ক্ষারকের পার্থক্য, নির্দেশক ও প্রশমন বিক্রিয়া: বুরেট থেকে ফোঁটা ফেলে নিজে টাইট্রেশন করে দেখো, গাণিতিক সমস্যাসহ।
SSC · HSC
ইলেকট্রন বিন্যাস
ইলেকট্রন বিন্যাস কাকে বলে, লেখার সহজ নিয়ম, আউফবাউ, পাউলির বর্জন ও হুন্ডের নীতি, Cr-Cu ব্যতিক্রম, আয়ন: ইলেকট্রন একটি একটি করে বসতে দেখো, ১-৩৬ মৌলের তালিকাসহ।
SSC · HSC
গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ
বয়েলের সূত্র, চার্লসের সূত্র, চাপীয় সূত্র, অ্যাভোগেড্রোর সূত্র ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ PV = nRT: পিস্টন টেনে নিজে দেখো, লেখচিত্র, R-এর মান ও গাণিতিক সমস্যাসহ।
SSC · HSC
আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়
আয়নিক বন্ধন কাকে বলে, কীভাবে ধাতুর ইলেকট্রন অধাতুতে গিয়ে আয়ন তৈরি করে, আর সংকেত কীভাবে চার্জ মিলিয়ে বের হয়: NaCl, MgO, CaCl₂ বেছে নিয়ে নিজে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।
SSC · HSC
সমযোজী বন্ধন
সমযোজী বন্ধন কাকে বলে, একক-দ্বি-ত্রিবন্ধন কীভাবে গঠিত হয়, অক্টেট নিয়ম কী: H₂O, NH₃, CH₄, CO₂ অণুর ডট-ক্রস চিত্র সিমুলেশনে নিজে বানিয়ে দেখো, পোলারিটিসহ।
SSC · HSC
পর্যায়বৃত্ত ধর্ম
পর্যায়বৃত্ত ধর্ম কাকে বলে, পারমাণবিক ব্যাসার্ধ ও আয়নিকরণ শক্তি পর্যায় ও গ্রুপে কীভাবে বদলায়: প্রথম ৩৬টি মৌলের হিটম্যাপে নিজে পরীক্ষা করে দেখো, ব্যতিক্রমসহ।
অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন
পদার্থবিজ্ঞান
আলোর প্রতিসরণ
পদার্থবিজ্ঞান
ওহমের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
প্রাসের গতি
পদার্থবিজ্ঞান
সরল দোলক
পদার্থবিজ্ঞান
তড়িৎ ক্ষেত্র
পদার্থবিজ্ঞান
তরঙ্গের ব্যতিচার
পদার্থবিজ্ঞান
পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন
পদার্থবিজ্ঞান
নিউটনের গতির সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন
পদার্থবিজ্ঞান
তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ
পদার্থবিজ্ঞান
কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি
পদার্থবিজ্ঞান
নততল
জীববিজ্ঞান
মাইটোসিস কোষ বিভাজন
জীববিজ্ঞান
ব্যাপন ও অভিস্রবণ
জীববিজ্ঞান
সালোকসংশ্লেষণ
জীববিজ্ঞান
মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ
জীববিজ্ঞান
মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র
জীববিজ্ঞান
ডিএনএ রেপ্লিকেশন
জীববিজ্ঞান
কোষীয় শ্বসন
জীববিজ্ঞান
এনজাইম ক্রিয়া
জীববিজ্ঞান
স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল
জীববিজ্ঞান
নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া
জীববিজ্ঞান
মিয়োসিস কোষ বিভাজন
জীববিজ্ঞান
পরিপাকতন্ত্র
গণিত
পিথাগোরাসের উপপাদ্য
গণিত
ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত
গণিত
দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র
গণিত
বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য
গণিত
দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ
গণিত
সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা
গণিত
সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা
গণিত






















