মূলপাতা
লগইন

Color

Indigo
Red
Green
Teal
Blue
Purple
Rose

Mode

Light
EN

নততল: ব্লক পিছলাবে না থাকবে, তুমিই ঠিক করো

নততলে থাকা কোনো বস্তুর ওজন mg-কে দুটো উপাংশে ভাগ করা হয়: তল বরাবর mg sinθ, যা বস্তুকে নিচে ঠেলে, আর তলের সাথে লম্ব mg cosθ, যা লম্ব প্রতিক্রিয়া বল N-এর সমান। ঘর্ষণ যদি mg sinθ সামলাতে পারে, বস্তু স্থির থাকে; না পারলে সে পিছলে নামে।

শীর্ষবিন্দু টেনে নততলের কোণ সরাসরি বদলাতে পারো

ব্লকওজন, mgলম্ব প্রতিক্রিয়া বল, Nঘর্ষণ বল, fওজনের উপাংশ
গতি

নিয়ন্ত্রণ

৩০ °
২.০ kg
০.৪০
০.৩০

পরিমাপ

ওজন, mg
১৯.৬N
ওজনের সমান্তরাল উপাংশ, mg sinθ
৯.৮N
লম্ব প্রতিক্রিয়া বল, N
১৭.০N
সর্বোচ্চ স্থিতি ঘর্ষণ, μₛN
৬.৮N
বর্তমান ঘর্ষণ বল, f
৫.১N
লব্ধি বল
৪.৭N
ত্বরণ, a
২.৩৫m/s²
বেগ, v
০.০০m/s
অতিক্রান্ত পথ, s
০.০০m
সময়, t
০.০s
স্থিতি কোণ, θᵣ
২১.৮°

সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে

  1. কোণ কম রেখে (যেমন ১০°) ছেড়ে দাও: mg sinθ ছোট, ঘর্ষণ সহজেই তা সামলে নেয়, ব্লক স্থির থেকে যায়, লব্ধি বল আর ত্বরণ দুটোই শূন্য।
  2. কোণ ধীরে ধীরে বাড়াও: কোন কোণে ব্লক প্রথম নড়া শুরু করে খেয়াল করো, তারপর “স্থিতি কোণ” রিডিং-এর সাথে মিলিয়ে দেখো, দুটো এক হওয়ার কথা।
  3. শীর্ষবিন্দু (apex) সরাসরি টেনে কোণ বদলাও: আর্ক আর কোণের লেখা দুটোই সাথে সাথে বদলে যাবে।
  4. “ওজনের উপাংশ” বন্ধ করে শুধু ওজন, N আর f দেখো, তারপর আবার চালু করে দুটো ড্যাশ করা উপাংশ কীভাবে ওজনকেই ভেঙে দেখাচ্ছে সেটা দেখো।
  5. ঘর্ষণ গুণাংক দুটোই শূন্যে নিয়ে যাও: এখন আর কোনো ঘর্ষণ নেই, ব্লক যত ছোট কোণেই ছাড়ো, সে পিছলে নামবে — ত্বরণ শুধু a = g sinθ।

ট্রাকে ফ্রিজ তোলার সময় কেন র‍্যাম্প ব্যবহার হয়

ভারী একটা ফ্রিজ সোজা উপরে তুলে ট্রাকে বসানো অনেক কঠিন কাজ, কিন্তু একটা তক্তা হেলিয়ে র‍্যাম্প বানিয়ে সেই একই ফ্রিজ গড়িয়ে তোলা অনেক সহজ। উচ্চতা একই থাকল, তবু বলটা কম লাগল কেন? কারণ ঢালু পথে পুরো ওজনটা কাজে লাগে না, শুধু তার একটা অংশ বস্তুকে নিচের দিকে ঠেলে, বাকিটা তল ধরে রাখে।

বালির স্তূপে বালি ঢালতে থাকলে স্তূপ একটা নির্দিষ্ট ঢাল পার হলেই উপরের বালি গড়িয়ে নিচে পড়তে শুরু করে, তারপর একটা মোটামুটি স্থির কোণে থিতু হয়ে যায়। কেউ সেই কোণ মাপার চেষ্টা না করলেও প্রকৃতি নিজেই একটা সীমা টেনে দেয় — এই সীমা কোণকেই বলে স্থিতি কোণ।

পাহাড়ি রাস্তায় প্রায়ই “১০%” বা “১৫%” লেখা সাইনবোর্ড দেখা যায়, যা রাস্তার ঢাল বোঝায়। ঢাল যত বেশি, গাড়ির ব্রেক আর টায়ারের ঘর্ষণের ওপর ভরসা তত বেশি — ঠিক এই পাতার নততলের মতোই হিসাব, শুধু ব্লকের জায়গায় গাড়ি।

একদম শুরু থেকে: নততল কাকে বলে, আর কেন ওজন ভাঙতে হয়

অনুভূমিক তলের সাথে কোণ করে থাকা কোনো সমতল তলকে নততল বলে। নততলে রাখা কোনো বস্তুর ওপর দুটো প্রধান বল কাজ করে: অভিকর্ষজ ওজন mg (সোজা নিচের দিকে) আর তলের লম্ব প্রতিক্রিয়া বল N (তলের সাথে লম্ব, তল থেকে বস্তুর দিকে)। ঘর্ষণ থাকলে তৃতীয় একটা বলও যুক্ত হয়, তল বরাবর।

সমস্যা হলো, ওজন mg সোজা নিচের দিকে, কিন্তু বস্তু যদি নড়ে তবে সে নড়বে তল বরাবর, নিচের দিকে নয়। তাই mg-কে সরাসরি তলের সাথে তুলনা করা যায় না — একে দুটো উপাংশে ভাগ করতে হয়: একটা তলের বরাবর (যেটা বস্তুকে ঠেলে), আর একটা তলের লম্ব দিকে (যেটা N-এর বিরুদ্ধে চাপ দেয়)।

জ্যামিতি থেকে দেখা যায়, তল অনুভূমিকের সাথে θ কোণ করলে, তল-বরাবর উপাংশ হয় mg sinθ আর তল-লম্ব উপাংশ হয় mg cosθ। θ বাড়লে sinθ বাড়ে আর cosθ কমে — মানে কোণ যত খাড়া হয়, বস্তুকে ঠেলে দেওয়ার উপাংশ তত বাড়ে আর তলে চেপে থাকার উপাংশ তত কমে। এই জন্যই খাড়া পাহাড়ে ওঠা কঠিন, আর প্রায় সমতল রাস্তায় সহজ।

নততলে অন্য কোনো উলম্ব বল না থাকলে (যেমন কেউ বস্তুকে চেপে ধরে না রাখলে), লম্ব দিকে বস্তু স্থির থাকে, তাই লম্ব প্রতিক্রিয়া বল ঠিক লম্ব উপাংশের সমান হতে বাধ্য: N = mg cosθ। এই N-এর ওপরই নির্ভর করে ঘর্ষণ বল কত হতে পারবে, কারণ ঘর্ষণের সূত্র সরাসরি N-এর সাথে জড়িত।

জরুরি শব্দগুলো একনজরে

সূত্রে যাওয়ার আগে শব্দগুলো ঝালিয়ে নিই। পরীক্ষার “কাকে বলে” প্রশ্ন এখান থেকেই আসে।

শব্দপ্রতীকসহজ ভাষায় অর্থএকক
নততলের কোণθতল আর অনুভূমিকের মধ্যবর্তী কোণডিগ্রি (°)
লম্ব প্রতিক্রিয়া বলNতল বস্তুর ওপর যে বল প্রয়োগ করে, তলের সাথে লম্বনিউটন (N)
স্থিতি ঘর্ষণ গুণাংকμₛবস্তু নড়া শুরু করার আগে ঘর্ষণ কতটুকু বল দিতে পারে, তার অনুপাতএকক নেই
গতি ঘর্ষণ গুণাংকμₖবস্তু নড়তে শুরু করার পর ঘর্ষণ বল কতটুকু থাকে, তার অনুপাতএকক নেই
সর্বোচ্চ স্থিতি ঘর্ষণμₛNনড়া শুরু হওয়ার ঠিক আগের মুহূর্তে ঘর্ষণ যতটুকু বল দিতে পারেনিউটন (N)
স্থিতি কোণ (প্রশম কোণ)θᵣযে কোণে বস্তু ঠিক নড়া শুরু করে, tanθᵣ = μₛডিগ্রি (°)
লব্ধি বলΣFতল বরাবর সব বলের যোগফলনিউটন (N)

সূত্র কোথা থেকে এলো: স্থিতি কোণ ও ত্বরণের প্রতিপাদন

ব্লকটা কখন স্থির থাকবে আর কখন পিছলাবে, তার সীমাটাই স্থিতি কোণ। নিচে দুটো প্রতিপাদন দেখানো হলো।

স্থিতি কোণ, θᵣ: tanθᵣ = μₛ কীভাবে এলো

ব্লক স্থির থাকতে হলে, তল বরাবর ঠেলে দেওয়া উপাংশ mg sinθ-কে ঘর্ষণ বল ঠিক সমান করে সামলাতে হবে। ঘর্ষণ বল বাড়তে বাড়তে সর্বোচ্চ যতটুকু হতে পারে, তা μₛN = μₛ mg cosθ। তাই স্থির থাকার শর্ত: mg sinθ ≤ μₛ mg cosθ।

দুই পাশ থেকে mg cosθ দিয়ে ভাগ করলে (cosθ শূন্য না হওয়া পর্যন্ত এটা করা নিরাপদ), sinθ/cosθ ≤ μₛ, অর্থাৎ tanθ ≤ μₛ। যে কোণে সমতা ঠিক মিলে যায় (tanθᵣ = μₛ), সেটাই স্থিতি কোণ θᵣ — এর চেয়ে বেশি কোণে ব্লক আর স্থির থাকতে পারে না।

লক্ষ করার মতো বিষয়: এই শর্তে ভর m কোথাও নেই। ভর দুই পাশেই (mg sinθ আর মাধ্যমে N-এও) একইভাবে গুণ হয়ে কেটে যায়। তাই স্থিতি কোণ শুধু উপাদানের ঘর্ষণ গুণাংকের ওপর নির্ভর করে, বস্তু কত ভারী তার ওপর না।

tanθᵣ = μₛθᵣ = tan⁻¹μₛ

পিছলানোর ত্বরণ, a = g(sinθ − μₖcosθ) কীভাবে এলো

কোণ স্থিতি কোণ পার হলে ব্লক পিছলাতে শুরু করে, তখন ঘর্ষণ বল আর সর্বোচ্চ সীমায় থাকে না, বরং গতি ঘর্ষণের সূত্র মানে: f = μₖN = μₖ mg cosθ, সবসময় গতির বিপরীতে (এখানে ঢাল বেয়ে ওঠার দিকে)।

নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র তল বরাবর প্রয়োগ করলে, লব্ধি বল ΣF = mg sinθ − f = mg sinθ − μₖ mg cosθ। এই লব্ধি বল ভর দিয়ে ভাগ করলেই ত্বরণ, a = ΣF/m = g sinθ − μₖ g cosθ = g(sinθ − μₖcosθ)। ভর এখানেও কেটে যায়, তাই একই কোণ ও ঘর্ষণে ভারী আর হালকা ব্লক একই ত্বরণে নামে — পড়ন্ত বস্তুর মতোই।

ঘর্ষণ শূন্য হলে (μₖ = ০) সূত্রটা সহজ হয়ে যায়, a = g sinθ, যা মসৃণ নততলে নামার পরিচিত সূত্র।

a = g(sinθ − μₖcosθ)পিছলানোর সময় তল-বরাবর ত্বরণ

স্থিতি ঘর্ষণ বনাম গতি ঘর্ষণ: কেন দুটো ভিন্ন সংখ্যা

একটা ভুল ধারণা হলো ঘর্ষণ একটাই সংখ্যা। বাস্তবে বস্তু স্থির অবস্থায় থাকতে যে ঘর্ষণ কাজ করে (স্থিতি ঘর্ষণ) আর নড়া শুরু হওয়ার পর যে ঘর্ষণ কাজ করে (গতি ঘর্ষণ) — এই দুটো সাধারণত আলাদা, আর প্রায় সবসময় μₖ < μₛ।

স্থিতি ঘর্ষণ ধ্রুব কোনো সংখ্যা না, এটা প্রয়োজন মতো বদলায় — যতক্ষণ প্রযুক্ত বল তার সর্বোচ্চ সীমা μₛN-এর নিচে থাকে, স্থিতি ঘর্ষণ ঠিক সেই বলের সমান হয়ে ভারসাম্য রাখে। এই কারণেই সিমুলেশনে কোণ কম থাকলে ঘর্ষণ রিডিং mg sinθ-এর সমান দেখায়, μₛN-এর সমান না।

সীমা পার হওয়ার সাথে সাথে ঘর্ষণ আর “যত লাগে তত” থাকে না, বরং স্থির একটা মান μₖN-এ নেমে যায়। μₖ সাধারণত μₛ-এর চেয়ে কম হয় কারণ একবার নড়া শুরু হলে তল দুটোর মাঝের ক্ষুদ্র আঁকশি-বাঁধন ভেঙে যায়, তাই নড়তে থাকা বস্তুকে ধরে রাখা স্থির বস্তুকে ধরে রাখার চেয়ে সহজ। এই কারণেই ভারী আলমারি ঠেলে নড়ানোর প্রথম ধাক্কাটাই সবচেয়ে ভারী লাগে — একবার নড়া শুরু হয়ে গেলে চালিয়ে যাওয়া তুলনায় সহজ।

সিমুলেশনে নিজে পরীক্ষা করো

প্রতিটি পরীক্ষা আগে অনুমান করো, তারপর চালিয়ে মিলিয়ে দেখো।

  • কোণ ৩০° রেখে μₛ = ০.৪০ আর μₖ = ০.৩০ রাখো (সিমুলেশনের নিজস্ব মান)। ব্লক পিছলাবে কি না আগে হাত দিয়ে হিসাব করো, তারপর চালিয়ে মিলিয়ে দেখো।
  • কোণ কমাতে কমাতে দেখো কোন মুহূর্তে অবস্থা লেখাটা “ব্লক নততল বেয়ে নামছে” থেকে “ব্লক স্থির” হয়ে যায়। সেই কোণটাই “স্থিতি কোণ” রিডিং-এর সমান হওয়ার কথা।
  • একই কোণে μₛ বাড়িয়ে দেখো: এক পর্যায়ে ব্লক আবার স্থির হয়ে যাবে, কারণ স্থিতি কোণ বেড়ে গেছে।
  • μₖ কমিয়ে দেখো (μₛ একই রেখে): ব্লক পিছলানো শুরু করার কোণ বদলায় না (কারণ সেটা μₛ ঠিক করে), কিন্তু একবার পিছলাতে শুরু করলে ত্বরণ বেড়ে যায়, কারণ a = g(sinθ − μₖcosθ)-এ μₖ কমেছে।
  • ভর দ্বিগুণ করো: ত্বরণ আর “ব্লক পিছলাবে কি না”র সিদ্ধান্ত অপরিবর্তিত থাকে, কারণ দুটো সূত্রেই ভর কেটে যায়। শুধু ওজন, N আর ঘর্ষণ বলের মান (নিউটনে) দ্বিগুণ হয়ে যায়।

গাণিতিক সমস্যা ও সমাধান

প্রতিটি সমাধানে প্রথমে জানা রাশি লিখব, তারপর সূত্র, তারপর মান বসাব। পরীক্ষাতেও এভাবে লিখলে পুরো নম্বর পাবে।

সমস্যা ১: ওজনের উপাংশ বের করা

৫ kg ভরের একটি বাক্স ৩০° কোণের একটি নততলে আছে। ওজন, তল-বরাবর উপাংশ ও তল-লম্ব উপাংশ বের করো।

mg = ৫ × ৯.৮ = ৪৯.০ N। mg sinθ = ৪৯.০ × sin৩০° = ২৪.৫ N। mg cosθ = ৪৯.০ × cos৩০° = ৪২.৪ N।

সমস্যা ২: বাক্সটি কি স্থির থাকবে?

সমস্যা ১-এর বাক্সের জন্য μₛ = ০.৫০ হলে, লম্ব প্রতিক্রিয়া বল N = ৪২.৪ N (কোণ ও ভর অপরিবর্তিত, তাই একই)। সর্বোচ্চ স্থিতি ঘর্ষণ কত, আর বাক্সটি স্থির থাকবে কি?

সর্বোচ্চ স্থিতি ঘর্ষণ = μₛN = ০.৫০ × ৪২.৪ = ২১.২ N। mg sinθ = ২৪.৫ N, যা সর্বোচ্চ স্থিতি ঘর্ষণের চেয়ে বেশি, তাই বাক্সটি স্থির থাকবে না, পিছলে নামবে।

সমস্যা ৩: স্থিতি কোণ বের করা

একটি তলের স্থিতি ঘর্ষণ গুণাংক μₛ = ০.৩৫। এই তলের স্থিতি কোণ কত?

tanθᵣ = μₛ = ০.৩৫, তাই θᵣ = tan⁻¹(০.৩৫) = ১৯.৩°। এই কোণের চেয়ে বেশি নততলে রাখলেই বস্তুটি আপনাআপনি পিছলে নামা শুরু করবে।

সমস্যা ৪: ঘর্ষণ থাকলে ও না থাকলে ত্বরণের তুলনা

একটি ব্লক ৪০° কোণের নততলে পিছলে নামছে। ঘর্ষণ না থাকলে এবং μₖ = ০.২০ থাকলে ত্বরণ কত হবে?

ঘর্ষণহীন: a = g sinθ = ৯.৮ × sin৪০° = ৬.৩০ m/s²। ঘর্ষণসহ: a = g(sinθ − μₖcosθ) = ৯.৮ × (sin৪০° − ০.২০ × cos৪০°) = ৪.৮০ m/s²। ঘর্ষণ ত্বরণ কমিয়ে দিয়েছে, কিন্তু শূন্য করতে পারেনি।

সমস্যা ৫: সিমুলেশনের শুরুর মান দিয়ে পূর্ণ হিসাব

সিমুলেশনের নিজস্ব মান: কোণ ৩০°, ভর ২ kg, μₛ = ০.৪০, μₖ = ০.৩০, নততলের দৈর্ঘ্য ৬ m। ব্লকটি কি স্থির থাকবে, আর যদি পিছলায় তবে তলায় পৌঁছাতে কত সময় ও বেগ লাগবে?

mg = ১৯.৬ N, mg sinθ = ৯.৮ N, N = ১৭.০ N, সর্বোচ্চ স্থিতি ঘর্ষণ = μₛN = ৬.৮ N। ৯.৮ > ৬.৮, তাই ব্লক পিছলাবে।

গতি ঘর্ষণ = μₖN = ৫.১ N। ত্বরণ, a = (mg sinθ − ঘর্ষণ) / m = (৯.৮ − ৫.১) / ২ = ২.৩৫ m/s²। ৬ m পথ যেতে সময়, t = √(2s/a) = ২.২৬ s, আর বেগ v = √(2as) = ৫.৩১ m/s। সিমুলেশন চালিয়ে ঠিক এই মানগুলোই মিলিয়ে দেখো।

সমস্যা ৬: একটি বাক্স যা পিছলাবে না

৩ kg ভরের একটি বাক্স ২৫° কোণের একটি নততলে আছে, যার μₛ = ০.৬০। বাক্সটি কি স্থির থাকবে?

এই তলের স্থিতি কোণ, θᵣ = tan⁻¹(০.৬০) = ৩১.০°, যা দেওয়া কোণ ২৫°-এর চেয়ে বেশি। তাই বাক্সটি স্থির থাকবে। যাচাই: N = ২৯.৪ × cos২৫° = ২৬.৬ N, সর্বোচ্চ স্থিতি ঘর্ষণ = ০.৬০ × ২৬.৬ = ১৬.০ N, আর mg sinθ = ২৯.৪ × sin২৫° = ১২.৪ N, যা ১৬.০-এর চেয়ে কম।

সমস্যা ৭: মসৃণ নততলে বেগ

একটি ব্লক ঘর্ষণহীন ৪৫° নততলে স্থির অবস্থা থেকে ছেড়ে দেওয়া হলো। ১০ m পিছলানোর পর তার বেগ কত হবে?

a = g sinθ = ৯.৮ × sin৪৫° = ৬.৯৩ m/s²। v = √(2as) = √(2 × ৬.৯৩ × ১০) = ১১.৭৭ m/s।

সমস্যা ৮: ঢাল বেয়ে ওপরে ওঠা ব্লকের থামার দূরত্ব

একটি ব্লককে ২০° নততল বেয়ে ওপরের দিকে ৮ m/s বেগে ছুড়ে দেওয়া হলো, μₖ = ০.২৫। ব্লকটি থামার আগে কতদূর যাবে?

ওপরে ওঠার সময় অভিকর্ষ আর ঘর্ষণ দুটোই বিপরীতে কাজ করে (ঘর্ষণ এবার নিচের দিকে, কারণ গতি ওপরের দিকে): a = g(sinθ + μₖcosθ) = ৯.৮ × (sin২০° + ০.২৫ × cos২০°) = ৫.৬৫ m/s². v² = u² − 2as থেকে, ০ = ৮² − ২ × ৫.৬৫ × s, তাই s = ৫.৬৬ m।

সমস্যা ৯: ধ্রুব বেগে নামার জন্য প্রয়োজনীয় μₖ

৩৫° নততলে একটি ব্লক পিছলে নামছে ঠিক ধ্রুব বেগে (ত্বরণ শূন্য)। μₖ কত হতে হবে?

ত্বরণ শূন্য মানে mg sinθ = μₖ mg cosθ, তাই μₖ = tanθ = tan৩৫° = ০.৭০। লক্ষ করো, এটাই স্থিতি কোণের সূত্রের মতো দেখতে, শুধু এখানে গতি ঘর্ষণ ধ্রুব-বেগের শর্ত মেটাচ্ছে, স্থির অবস্থার ভারসাম্য না।

এক নজরে: চেনা উপাদানের ঘর্ষণ গুণাংক

নিচের আনুমানিক মানগুলো (গতি ঘর্ষণ) দেখায় উপাদান বদলালে ঘর্ষণ কতটা আলাদা হতে পারে। বরফের ওপর বরফ প্রায় ঘর্ষণহীন, রাবার-কংক্রিট প্রায় ঘর্ষণে ভরা।

উপাদানের জোড়আনুমানিক μₖ
বরফের ওপর বরফ০.০৩
টেফলনের ওপর ইস্পাত০.০৫
কাঠের ওপর কাঠ০.৩০
ইস্পাতের ওপর ইস্পাত০.৫৫
কংক্রিটের ওপর রাবার (টায়ার)০.৭০

যে ভুলগুলো সবাই করে

এই ভুলগুলো এড়ালে নততলের অঙ্কে নম্বর কাটার ভয় থাকে না।

  • mg sinθ আর mg cosθ গুলিয়ে ফেলা। মনে রাখার সহজ উপায়: কোণ ছোট হলে (প্রায় সমতল) তল-বরাবর উপাংশ ছোট হওয়ার কথা, আর sinθ ছোট কোণে ছোটই থাকে, cosθ প্রায় ১।
  • N = mg ধরে নেওয়া। নততলে N = mg cosθ, mg নয় — শুধু সমতল অনুভূমিক তলে N = mg হয়।
  • স্থিতি ঘর্ষণকে সবসময় μₛN ধরে নেওয়া। বাস্তবে স্থিতি ঘর্ষণ প্রয়োজন অনুযায়ী বদলায়, সর্বোচ্চ μₛN পর্যন্তই যেতে পারে।
  • μₖ আর μₛ-কে একই ভাবা। μₖ সাধারণত μₛ-এর চেয়ে কম, তাই একবার পিছলানো শুরু হলে তা থামানোর চেয়ে চালু রাখা সহজ।
  • স্থিতি কোণকে ভরের ওপর নির্ভর করে ভাবা। tanθᵣ = μₛ সূত্রে ভর নেই, তাই ভারী বা হালকা বস্তু একই তলে একই কোণে পিছলানো শুরু করে।
  • ত্বরণের সূত্রে cosθ ভুলে যাওয়া। ঘর্ষণ বল N-এর সাথে জড়িত, আর N = mg cosθ, তাই ঘর্ষণ পদে cosθ থাকতেই হবে।

বাস্তব জীবনে নততল

নততলের হিসাব শুধু পরীক্ষার খাতায় থেমে থাকে না, চারপাশের অনেক ঢালু পথের পেছনেই এই নিয়ম কাজ করে।

  • হুইলচেয়ার র‍্যাম্প: নিয়ম করে দেওয়া থাকে ঢাল কতটুকু খাড়া হতে পারে, কারণ বেশি খাড়া হলে mg sinθ এত বেড়ে যায় যে হুইলচেয়ার ঠেলে ওঠা কষ্টকর হয়ে যায়।
  • পাহাড়ি রাস্তার ঢাল-সাইনবোর্ড: ঢাল শতকরায় লেখা থাকে, ঢাল বেশি হলে গাড়ির ব্রেকের ওপর নির্ভরতা বাড়ে, কারণ নামার সময় mg sinθ বেড়ে যায়।
  • শস্যভাণ্ডার বা বালির স্তূপ: শস্য বা বালি একটা নির্দিষ্ট কোণেই স্থির থাকতে পারে, তার বেশি হলেই গড়িয়ে পড়ে — এটাই স্থিতি কোণের সরাসরি প্রয়োগ।
  • স্কি স্লোপ: ঢাল যত খাড়া, স্কিয়ারের ত্বরণ তত বেশি (a = g sinθ, ঘর্ষণ বরফে খুব কম), তাই খাড়া স্লোপে বেশি দক্ষতা লাগে।
  • কনভেয়র বেল্ট: মালামাল ওপরে তুলতে বেল্টের ঢাল একটা সীমার মধ্যে রাখা হয়, নইলে মালামাল ঘর্ষণ হারিয়ে নিচে পিছলে পড়ে।
  • সিঁড়ি: সিঁড়িকে একরকম ধাপে-ধাপে খাড়া নততল বলা যায়, তাই সিঁড়ির প্রতি ধাপের উচ্চতা-প্রস্থের অনুপাত সরাসরি এই নততলের অঙ্কের সাথে জড়িত।

পরীক্ষার কর্নার: SSC ও HSC

SSC ঘর্ষণ অধ্যায়ে ওজনের উপাংশ, স্থিতি ও গতি ঘর্ষণের পার্থক্য এবং স্থিতি কোণের সংজ্ঞা গুরুত্বপূর্ণ। HSC পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্রের ঘর্ষণ অধ্যায়ে স্থিতি কোণ ও ঘর্ষণ কোণের সম্পর্ক এবং নততলে ত্বরণের অঙ্ক নিয়মিত আসে। নিউটনের গতির সূত্র অ্যানিমেশনে যেমন সমতলে ঘর্ষণ দেখেছ, এখানে সেই একই ঘর্ষণ এখন একটা ঢালু তলে কাজ করছে — দুটো একসাথে পড়লে ধারণা আরও পরিষ্কার হয়।

একটি নমুনা সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক: একটি ২ kg ভরের বাক্স ৩০° কোণের একটি নততলে রাখা হলো, যার μₛ = ০.৪০ ও μₖ = ০.৩০।

ক) স্থিতি কোণ কাকে বলে? খ) স্থিতি ঘর্ষণ ও গতি ঘর্ষণের পার্থক্য লেখো। গ) বাক্সটি স্থির থাকবে কি না, গাণিতিকভাবে দেখাও। ঘ) “নততলের কোণ বাড়ালে ব্লকের ত্বরণও সরলরেখিকভাবে বাড়ে”— উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।

গ-এর উত্তর: N = ১৭.০ N, সর্বোচ্চ স্থিতি ঘর্ষণ = ৬.৮ N, mg sinθ = ৯.৮ N যা তার চেয়ে বেশি, তাই বাক্সটি স্থির থাকবে না। ঘ-এর মূল কথা: a = g(sinθ − μₖcosθ) একটা sinθ আর cosθ-এর সমন্বয়, θ-এর সরলরেখিক (linear) ফাংশন নয় — তাই উক্তিটি ভুল, ত্বরণ কোণের সাথে সরলরেখিকভাবে বাড়ে না, বরং sinθ-cosθ-এর একটা জটিল সম্পর্কে বাড়ে।

রিভিশন: শেষ মুহূর্তের সারসংক্ষেপ

পরীক্ষার আগের রাতে শুধু এই তালিকাটা একবার দেখে নিলেই যথেষ্ট।

  • ওজনের উপাংশ: তল-বরাবর mg sinθ, তল-লম্ব mg cosθ = N (অন্য উলম্ব বল না থাকলে)।
  • স্থির থাকার শর্ত: mg sinθ ≤ μₛN, অর্থাৎ tanθ ≤ μₛ।
  • স্থিতি কোণ: tanθᵣ = μₛ, θᵣ = tan⁻¹μₛ — ভরের ওপর নির্ভর করে না।
  • পিছলানোর ত্বরণ: a = g(sinθ − μₖcosθ), ঘর্ষণহীন হলে a = g sinθ।
  • μₖ সাধারণত μₛ-এর চেয়ে কম, তাই নড়া শুরু হওয়ার পর ঘর্ষণ বল কমে যায়।
  • ধ্রুব বেগে নামার শর্ত: μₖ = tanθ, ত্বরণ শূন্য।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

নততল কাকে বলে?

অনুভূমিক তলের সাথে কোণ করে থাকা কোনো সমতল তলকে নততল বলে। এর ওপর রাখা বস্তুর ওজনকে তল-বরাবর ও তল-লম্ব দুটো উপাংশে ভাগ করে বিশ্লেষণ করা হয়।

নততলে ওজনের উপাংশগুলোর সূত্র কী?

তল-বরাবর উপাংশ mg sinθ, যা বস্তুকে নিচের দিকে ঠেলে। তল-লম্ব উপাংশ mg cosθ, যা লম্ব প্রতিক্রিয়া বল N-এর সমান হয়ে যায় (অন্য কোনো উলম্ব বল না থাকলে)।

স্থিতি কোণ কাকে বলে?

যে কোণে নততলে রাখা বস্তু ঠিক পিছলানো শুরু করে, তাকে স্থিতি কোণ (θᵣ) বলে। এর সূত্র tanθᵣ = μₛ, যেখানে μₛ স্থিতি ঘর্ষণ গুণাংক।

স্থিতি ঘর্ষণ ও গতি ঘর্ষণের পার্থক্য কী?

স্থিতি ঘর্ষণ বস্তু স্থির থাকা অবস্থায় কাজ করে, আর প্রয়োজন অনুযায়ী সর্বোচ্চ μₛN পর্যন্ত বদলায়। গতি ঘর্ষণ বস্তু নড়া শুরু করার পর কাজ করে, আর সাধারণত ধ্রুব মান μₖN নেয়, যেখানে μₖ < μₛ।

নততলে পিছলানোর সময় ত্বরণের সূত্র কী?

ঘর্ষণসহ পিছলানোর ত্বরণ a = g(sinθ − μₖcosθ)। ঘর্ষণ না থাকলে সহজ সূত্র a = g sinθ।

স্থিতি কোণ কি বস্তুর ভরের ওপর নির্ভর করে?

না। tanθᵣ = μₛ সূত্রে ভর নেই, কারণ ভর ওজনের উপাংশ ও লম্ব প্রতিক্রিয়া বল দুই জায়গাতেই একইভাবে গুণ হয়ে কেটে যায়। ভারী আর হালকা বস্তু একই তলে একই কোণে পিছলানো শুরু করে।

নততলে লম্ব প্রতিক্রিয়া বল কি সবসময় mg-এর সমান?

না। লম্ব প্রতিক্রিয়া বল N = mg cosθ, যা mg-এর চেয়ে কম (θ শূন্যের বেশি হলে)। শুধু সমতল অনুভূমিক তলে (θ = ০) N = mg হয়।

বেশি ভারী বস্তু কি নততলে বেশি সহজে পিছলায়?

না। স্থির থাকার শর্ত mg sinθ ≤ μₛN-এ mg ও N দুই পাশেই ভরের সমানুপাতিক, তাই ভর কেটে যায়। পিছলানো নির্ভর করে কোণ ও ঘর্ষণ গুণাংকের ওপর, ভরের ওপর না।

ধ্রুব বেগে নততল বেয়ে নামার শর্ত কী?

ত্বরণ শূন্য হতে হবে, অর্থাৎ mg sinθ = μₖ mg cosθ, তাই μₖ = tanθ। এই বিশেষ অবস্থায় গতি ঘর্ষণ ঠিক তল-বরাবর উপাংশের সমান হয়ে যায়।

এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা

অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।

আরও পদার্থবিজ্ঞান অ্যানিমেশন

SSC · HSC

আলোর প্রতিসরণ

আলোর প্রতিসরণ কাকে বলে, প্রতিসরণের সূত্র, সংকট কোণ ও পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন — সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা, ইন্টারঅ্যাকটিভ অ্যানিমেশন ও গাণিতিক উদাহরণসহ।

SSC · HSC

ওহমের সূত্র

ওহমের সূত্র কাকে বলে, বিবৃতি ও ব্যাখ্যা, V-I লেখচিত্র — বিভব পার্থক্য ও রোধ বদলে তড়িৎ প্রবাহ দেখো। শ্রেণি ও সমান্তরাল সমবায়, গাণিতিক উদাহরণসহ।

HSC

প্রাসের গতি

প্রাস কাকে বলে? কোণ ও আদিবেগ বদলে প্রাসের গতিপথ দেখো — বিচরণকাল, সর্বাধিক উচ্চতা ও আনুভূমিক পাল্লার সূত্র, গাণিতিক উদাহরণসহ।

SSC · HSC

সরল দোলক

সরল দোলক কাকে বলে, দোলনকালের সূত্র T=2π√(L/g) ও দোলকের সূত্রসমূহ — দৈর্ঘ্য বদলে দেখো। অভিকর্ষজ ত্বরণ নির্ণয়ের গাণিতিক উদাহরণসহ।

SSC · HSC

তড়িৎ ক্ষেত্র

তড়িৎ ক্ষেত্র কাকে বলে, তড়িৎ তীব্রতার সূত্র ও একক, বলরেখার বৈশিষ্ট্য — আধান বসিয়ে বলরেখা দেখো। কুলম্বের সূত্রের গাণিতিক উদাহরণসহ।

HSC

তরঙ্গের ব্যতিচার

তরঙ্গের উপরিপাতন নীতি ও ব্যতিচার কাকে বলে, গঠনমূলক ও ধ্বংসাত্মক ব্যতিচারের শর্ত, ডোরার প্রস্থ — দুই উৎস সরিয়ে নিজে দেখো, গাণিতিক উদাহরণসহ।

SSC · HSC

পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র

পড়ন্ত বস্তুর তিনটি সূত্র কী, কে আবিষ্কার করেন, অভিকর্ষজ ত্বরণ ৯.৮ বলতে কী বোঝায়: মুদ্রা আর পালক ফেলে নিজে দেখো, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন

উত্তল লেন্স ও অবতল লেন্স কাকে বলে, প্রতিবিম্ব কীভাবে গঠিত হয়, লেন্সের সূত্র 1/u + 1/v = 1/f, বিবর্ধন ও লেন্সের ক্ষমতা: বস্তু টেনে সরিয়ে রশ্মি চিত্র নিজে দেখো।

SSC · HSC

নিউটনের গতির সূত্র

নিউটনের গতির তিনটি সূত্র, জড়তা, ভরবেগ, F = ma, ঘাত বল আর ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া: ট্রলি ঠেলে নিজে দেখো, সহজ উদাহরণ, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ (SSC, HSC)।

SSC · HSC

গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন

অবতল দর্পণ ও উত্তল দর্পণ কাকে বলে, মেরু, বক্রতার কেন্দ্র, প্রধান ফোকাস, দর্পণের সূত্র 1/u + 1/v = 1/f ও বিবর্ধন: বস্তু টেনে সরিয়ে প্রতিবিম্ব গঠন নিজে দেখো।

SSC · HSC

তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র

তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ কাকে বলে, ফ্যারাডের সূত্র ও লেঞ্জের সূত্র কী বলে: চুম্বক টেনে কুণ্ডলীর ভেতর দিয়ে নিয়ে নিজে দেখো, গ্যালভানোমিটারের কাঁটা কেন দোলে, সূত্র ও অঙ্কসহ।

SSC · HSC

ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ

ভরবেগের সংরক্ষণ সূত্র কী, স্থিতিস্থাপক ও অস্থিতিস্থাপক সংঘর্ষের পার্থক্য কী: দুটো গাড়ি সংঘর্ষ করিয়ে নিজে দেখো, পুনরুদ্ধার সহগ e বদলে ভরবেগ ও গতিশক্তির বার-লেখচিত্র মিলিয়ে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।

SSC · HSC

কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি

কাজ কাকে বলে, গতিশক্তি ও বিভবশক্তির সূত্র কী, ক্ষমতা কীভাবে মাপা হয়: গড়িয়ে পড়া কার্টের সিমুলেশনে শক্তির রূপান্তর নিজে দেখো, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ।

অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন

রসায়ন

পরমাণুর গঠন

রসায়ন

এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল

রসায়ন

ইলেকট্রন বিন্যাস

রসায়ন

গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ

রসায়ন

আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়

রসায়ন

তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র

রসায়ন

সমযোজী বন্ধন

রসায়ন

পর্যায়বৃত্ত ধর্ম

জীববিজ্ঞান

মাইটোসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

ব্যাপন ও অভিস্রবণ

জীববিজ্ঞান

সালোকসংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ

জীববিজ্ঞান

মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র

জীববিজ্ঞান

ডিএনএ রেপ্লিকেশন

জীববিজ্ঞান

কোষীয় শ্বসন

জীববিজ্ঞান

এনজাইম ক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল

জীববিজ্ঞান

নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

মিয়োসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

পরিপাকতন্ত্র

গণিত

পিথাগোরাসের উপপাদ্য

গণিত

ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত

গণিত

দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র

গণিত

বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য

গণিত

দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ

গণিত

সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা

গণিত

সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা

গণিত

গড়, মধ্যক ও প্রচুরক